জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসানুল্লাহ ভুঁইয়া বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান মূলত বৈষম্যহীন ন্যায়, ইনসাফপূর্ণ দেশ গঠনের লক্ষ্যে ছাত্র জনতার এক বৈপ্লবিক জাগরণ। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ পতন হলেও দেশকে বৈষম্যহীন ও ইনসাফপূর্ণ দেশ গঠনে সম্ভব হয়নি। এ আন্দোলনে বিএনপি শরীক দল হলেও সরকার গঠনের পর তারা নতুন করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের স্বপ্ন দেখছে। গণভোটের রায়কে তারা আমলে নিচ্ছে না। মূলত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বিএনপি গণবিচ্ছিন্ন দলে পরিণত হচ্ছে। জনগণ আজ বা কাল হোক, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেই ছাড়বে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দক্ষিণ জেলা ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে গত ৪ জুলাই কর্ণফুলীর কলেজ বাজার ঈদগাঁহ ময়দানে কেন্দ্র ঘোষিত গণমিছিল পূর্ব বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন, এনসিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জোবাইরুল আলম মানিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন– খেলাফত মজলিসের জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা হুমায়ুন আজাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা নোমান উদ্দীন, এবি পার্টির জেলা যুগ্ম সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জায়েদ হাসান।
জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহমুদুল হাছান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল করিম, জাগপার খোরশেদ আলম, জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাকারিয়া, অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাইল হক্কানী, মাওলানা আরিফুর রশিদ, আ ক ম ফরিদুল আলম প্রমুখ।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে এনসিপি নেতা জোবাইরুল আলম মানিক বলেন, জনগণ অধিকার আদায়ে সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকে। খুনি হাসিনা মানুষের একের পর এক অধিকার হরণ করেছিল। আজ নতুন করে বিএনপি ক্ষমতায় এসে মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করার স্বপ্ন দেখছে। তারা গণভোটের ৭০ শতাংশ রায়কে অগ্রাহ্য করে জনগণের সাথে প্রতারণা করছে। আমরা আবার জুলাই নিয়ে আসবো। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।









