জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে ফিরে যাচ্ছি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

‘জাতীয় স্বার্থ পাই পাই করে বুঝে নেব’

| বৃহস্পতিবার , ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ

বর্তমান সরকার সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে ফিরে যাচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, আমাদের ফরেন পলিসি হবেবাংলাদেশ ফার্স্ট। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালানন্দ শর্মার সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সরকারের পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ফরেন পলিসি ও এর অভিমুখ নিয়ে যথেষ্ট চিন্তাভাবনা করেছি। কিছু কিছু কাজও করেছি। প্রধানমন্ত্রী একটি কথা বারে বারে বলেছেন, সেটা হলোসবার আগে বাংলাদেশ। আমাদের ফরেন পলিসিই হবে বাংলাদেশ ফার্স্ট। আমাদের স্বার্থ সম্পূর্ণ রক্ষা করে পররাষ্ট্র কর্মকাণ্ড চালাব। এর পেছনে যে নীতি থাকবে, সেগুলো আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাইসার্বভৌমত্ব সমতা, পরস্পরের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা, কারো অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা, জাতীয় মর্যাদা, পারস্পরিক সুবিধা, এক তরফা কিছু নয়। পররাষ্ট্র কর্মকাণ্ডে জাতীয় স্বার্থ পাই পাই করে বুঝে নেব। এটা আমাদের রেড লাইন। এক হিসেবে আমরা মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ফরেন পলিসিতে ফিরে যাচ্ছি। অন্তর্বর্তী সরকারেও আমরা সেটাই চেষ্টা করেছি। খবর বাংলানিউজের।

আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, আমরা সকল দেশের স্বার্থে সুসম্পর্ক চাই, তবে আমাদের স্বার্থ বজায় রেখে। রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানের বিষয়ে পদক্ষেপ জানতে চাইলে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা নিয়ে আমাদের যে নজর ছিল, সেটা কোনোভাবেই কমবে না, বাড়বে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমরা মিয়ানমার ও আরাকান আর্মির সাথে সম্পর্ক বজায় রেখেছি। সর্ব প্রথম আমরা আরাকান আর্মির সাথে যোগাযোগ করেছি। সেই যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে। আমরা এই সঙ্কটের একটি আশু সমাধানের চেষ্টা করব। আমি এই ব্যাপারে আশাবাদী।

বিএনপি থেকে এক সময় দাবি করা হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদ থেকে আপনাকে পদত্যাগ করতে হবে। এখন আপনিই বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হলেনএ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেসে উত্তর দেন, আমি তো জোর করে যাইনি। আর সময়ের সাথে পরিস্থিতিও বদলায়।

অনেকেই নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে এমন অভিযোগ তুলেছেনএমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা বলছেন, তারা চাইলে আবার ভোট গণনা করুক। গুণতে তো কোনো মুশকিল নেই।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচবি ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটে প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিতদের ভর্তি শুরু ২২ ফেব্রুয়ারি
পরবর্তী নিবন্ধইফতার ও সেহরিতে বিশেষ মেনু, প্রস্তুত নগরীর রেস্টুরেন্টগুলো