চলে আসায় বেঁচে যান নূর আলম

| রবিবার , ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ at ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়ে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রী–সন্তানসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারিয়েছেন নূর আলম। তিনি নিজেও সেখানে গিয়েছিলেন। তবে একদিন আগে কর্মক্ষেত্রে চলে আসায় প্রাণে বেঁচে যান তিনি। নূর আলম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা। চাকরির সুবাদে স্ত্রী ফারিহা কবির ও ছেলে ফায়িজান আহম্মেদকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার দক্ষিণ হাসপাতালপাড়ার একটি ভাড়া বাড়িতে টানা আট বছর ধরে বসবাস করছিলেন। তিনি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চুয়াডাঙ্গায় মেডিকেল প্রমোশন অফিসার (এমপিও) হিসেবে কর্মরত। খবর বিডিনিউজের।

গতকাল সকালে মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকায় অবস্থিত রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। আগুনে তিনতলা রিসোর্টটির পুরো স্থাপনা পুড়ে যায়। এতে একই পরিবারের ছয়জনসহ ১০ জন নিহত হয়েছেন।

নূর আলমের পরিবারের স্বজনরা বলছেন, তাদের পরিবারের ছয়জন হয়তো ওই ১০ জনের মধ্যে আছেন। ঘটনার পর থেকে তারা নিখোঁজ রয়েছেন। গতকাল বিকালে নূর আলম মোবাইল ফোনে বলেন, বুধবার স্ত্রী ফারিহা কবির, ছেলে ফায়িজান আহম্মেদ, তিন শ্যালিকা ও এক শ্যালককে নিয়ে তিনি কক্সবাজারে বেড়াতে যান। অফিসের কাজ থাকায় শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের সেখানে রেখে তিনি চুয়াডাঙ্গায় ফিরে আসেন।

শনিবার তাদের কক্সবাজার থেকে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সকালে রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তার স্ত্রী, সন্তান, তিন শ্যালিকা ও এক শ্যালক মারা যাওয়ার খবর পান তিনি। খবর পেয়েই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

নুর আলম বলেন, আজ তাদের ফিরে আসার কথা ছিল। কীভাবে আগুন লাগল জানি না। আমার স্ত্রী, সন্তানসহ পরিবারের ছয়জন মারা গেছে। এর বেশি কিছু বলার মতো অবস্থায় নেই। তার একমাত্র ছেলে ফায়িজান আহম্মেদ চুয়াডাঙ্গার প্রদীপন মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসীতাকুণ্ডে যুবদল কর্মীকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা, আহত ১
পরবর্তী নিবন্ধবেলকনি থেকে লাফ দিয়ে বাঁচেন চিকিৎসক দম্পতি