চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী শ্রমিক কর্মচারী লীগের (সিবিএ) এক কর্মী সভা সংগঠনের সভাপতি মীর নওশাদের সভাপতিত্বে সংগঠন কার্যালয়ে গত ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর, মো. ইসকান্দর মিয়া, মো. হাসান, মো. নুরুল আবছার, নুরুল আমিন ভুঁইয়া, এ বি সিদ্দিক, হুমায়ুন কবির, উৎপল বিশ্বাস, আবু বক্কর চৌধুরী বাপ্পী, মো. নাছের, আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া, মো. জসিম উদ্দিন, শহীদউল্লাহ, জানে আলম, ইলিয়াছ আলম, নাছির উল্ল্যা, আল বাতেন, মো. সোহেল চৌধুরী, মো. নাছির, মো. সেলিম, মো. জাহেদ, আলমাছ উদ্দিন, আলী আকবর, মো. সেলিম উদ্দিন, মো. রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, শাহ আলম, দিদার আলম, নুর করিম, আবুল হোসেন, জয়নাল আবেদীন, আব্দুল মালেক, মো. দুলাল, মো. লিটন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন শেডে এলসিএল কন্টেনার আনস্টাফিং বন্দরের অভ্যন্তরে এঙওয়াই শেডে স্থানান্তর হচ্ছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে বন্দরের তালিকাভুক্ত বার্থ অপারেটরের অধীনে কর্মরত ডক মার্চেন্ট স্টাফসহ শ্রমিক-কর্মচারীরা সম্পৃক্ত। এঙওয়াই শেডে বন্দরের তালিকাভুক্ত বার্থ অপারেটর ছাড়া দেশি-বিদেশি অন্য কোনো কোম্পানিকে উপরোক্ত কাজের দায়িত্ব দেয়া হয়, তাহলে তারা ইচ্ছামতো লোক ব্যবহার করে কাজ সম্পাদন করলে বন্দরের হাজার হাজার শ্রমিক-কর্মচারী বেকার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া এনসিডি জেটি, সিসিটি জেটি ও বে টার্মিনালসহ বন্দর ও বন্দর সংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রে বন্দরের আইন ও শ্রম আইন অনুযায়ী বন্দরের তালিকাভুক্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়োগ দান ও অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











