সড়কের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ না করেও ঠিকাদারকে বিল জমা দিতে চাপ দেওয়ার অভিযোগে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর চট্টগ্রামে অভিযান চালিয়েছে দুদক। এসময় অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দুদক কর্মকর্তারা। গতকাল নগরীর রহমতগঞ্জে থাকা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে দুদক সমন্তিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ এর সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযানের শুরুতে চট্টগ্রাম সড়ক সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহেদ হোসাইনের কার্যালয়ে গিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। অভিযানের পর দুদক কর্মকর্তা সায়েদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, নগরীর অঙিজেন মোড় থেকে হাটহাজারি পর্যন্ত এক কোটি টাকার কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার আগেই এক ঠিকাদারকে দিয়ে করানো হয়। পরে টেন্ডারে আরেক ঠিকাদার কাজ পেলে তাদেরকে বিল জমা দিতে বলা হয়। তবে একটি প্রতিষ্ঠান বিলে সই করতে রাজি হয়নি। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে সওজ’ এর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, টেন্ডারে যারা কাজ পেয়েছে, তাদের দিয়ে কাজ করানো হয়নি। অন্য একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে আগেই কাজ করানো হয়েছে, যারা কাজের টাকাও পেয়ে গেছে।
টেন্ডারে যিনি কাজটি পেয়েছেন, তাকে জোর করে অনেকগুলো বিলে সই করতে বলা হয়। উনি অসম্মতি জানানোয় গতকাল রাতে অনেকগুলো অপরিচিত নম্বর থেকে তাকে হুমকি দেওয়া হয়। তিনি বলেন, যে প্রতিষ্ঠান বিলে সই করতে রাজি হয়নি, তাদের সঙ্গে দুদক কর্মকর্তারা যোগাযোগ করেছেন এবং তাদের কাছে আরও কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। দুদক জানায়, অভিযোগে বলা হয়েছে যে, গত ১৪ মে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস। তার সফর উপলক্ষে অঙিজেন থেকে হাটহাজারি বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে সৌন্দর্য্য বর্ধন ও সড়ক মেরামতের কাজটি করা হয়।