কর্ণফুলীর জুলধা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতটি কিরিচসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের এক কর্মকর্তা আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার জুলধা ডাঙারচরের দীঘির পাড় আবুলের দোকান সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী থানার ওসি মো. শাহীনূর আলম। গ্রেপ্তাররা হলেন চরলক্ষ্যা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষী বাপের বাড়ির মৃত মো. ইসমাইলের ছেলে আলী আজম (২৭) এবং চরলক্ষ্যা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মনু বাপের বাড়ির মৃত মনু মিয়ার ছেলে মো. ফারুক (৩৩)।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ডাঙারচর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ৯ নম্বর বিওসি ঘাট যাত্রী ছাউনি এলাকায় মো. এরশাদের নেতৃত্বে ৪–৫ জনের একটি দল সাম্পানের মাঝি জাহাঙ্গীর আলম ও তার সহযোগী মো. মুছার ওপর হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তারা গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় সাম্পানের মালিক মো. শহীদ নূর বাদী হয়ে এরশাদকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে পূর্বশত্রুতার কথা উল্লেখ থাকলেও বাদী শহীদ নূরের দাবি, সাম্পানের মালামাল আনা–নেওয়া কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির জেরে হামলার ঘটনা ঘটে।
সোমবার রাতে মামলার আসামিদের ধরতে ডাঙারচর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নজিবল্লাহ তানভিরের নেতৃত্বে একটি দল অভিযানে গেলে প্রধান আসামি এরশাদ ও তার সহযোগীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এতে এসআই একেএম নজিবুল হক তানভীর পা ও পিঠে আঘাত পান। পরে অভিযান চালিয়ে আলী আজম ও ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে চাইনিজ কিরিচসহ মোট সাতটি লম্বা কিরিচ উদ্ধার করা হয়।
থানার অপারেশন অফিসার নুরুল ইসলাম বলেন, দুইজন গ্রেপ্তার রয়েছে, ৭টি কিরিচ উদ্ধার হয়েছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রজু করা হয়।
ওসি মো. শাহীনূর আলম জানান, এসআই তানভির আঘাত পেয়েছেন। অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা রজু করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।











