অভ্যুদয় সংগীত ভবন, চট্টগ্রামের ১৭তম বর্ষে সংগীত আয়োজন ‘এমনি মায়ার ছলনা…’ শীর্ষক সঙ্গীত আয়োজন সম্প্রতি নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের গান নিয়ে সাজানো হয় এবারের আয়োজন। রক্তকরবীর গান ‘তোমায় গান শোনাব, তাই তো আমায় জাগিয়ে রাখো, ওগো দুঃখ জাগানিয়া’ দিয়ে শুরু হয় সমবেত পরিবেশনা। এরপর শিল্পীরা একে একে গেয়ে শোনান ‘ভালোবাসি ভালোবাসি, এই সুরে কাছে দূরে’, ‘দিবস রজনী আমি যেন কার আশায় আশায় থাকি’ এবং ‘হায়রে হায়’।
বেহালার করুণ সুরে এক শিল্পী গেয়ে উঠেন ‘ওগো যাও কোথা যাও, পথ হারা তুমি পথিক’। ‘ফিরে চাও ফিরে চাও, যাও কেন, ফিরে ফিরে চাও’, ‘সকলই ফুরালো সকলই প্রায়’, ‘ও কেন ভালোবাসা জানাতে আসে’, ‘যখন এসেছিলে অন্ধকারে’, ‘চক্ষে আমার তৃষ্ণা ওগো তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে’, ‘বনে এমন ফুল ফুটেছে মান করে থাকা আর কি সাজে’ ইত্যাদি গেয়ে শোনান অভ্যুদয়ের শিল্পীরা।
এর আগে শিশুদল কিচিরমিচির ও উচ্ছ্বাসের খুদে শিল্পীদের ‘আমরা চিত্র অতি বিচিত্র, অতি বিশুদ্ধ, অতি পবিত্র’সহ কয়েকটি গান দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। শিল্পী শ্রেয়সী রায়ের ‘দেখো সখা, ভুল করে ভালোবেস না, আমি ভালো বাসি বলে, কাছে এসো না’ দর্শকদের বিমোহিত করে। ‘তৃষ্ণারও কান্তি’ এবং ‘এরা সুখের লাগি চাহে প্রেম, সুখ মেলে না’ গানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় আয়োজন।
অনির্বাণ ভট্টাচার্য্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শৈবাল বড়ুয়া। সঙ্গীত পরিচালনা ও পরিকল্পনা করেন শিল্পী শ্রেয়সী রায়। রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির বিভিন্ন অংশ পাঠ করেন অমিতা বড়ুয়া। যন্ত্রশিল্পীদের মধ্যে তবলায় ছিলেন সানি দে, বেহালায় রিসি বসাক, এস্রাজে সৌমিত রায়, কি বোর্ডে রিপন শীল, অক্টোপ্যাডে নন্দন নন্দী এবং গিটারে মলয় কুমার ইন্দু মুকেশ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।