সাড়ে ১১ মাসের ব্যবধানে আবার বড় খেলাপিরা ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ পাচ্ছে। এবার হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ খেলাপিদের বিশেষ এ সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ঋণ গ্রহীতারা দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৫ বছরের জন্য ঋণটি পুনঃতফসিল করতে পারবেন। এ সুবিধা নিতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে বড় খেলাপিদের দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছরের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা করে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। খবর বিডিনিউজের।
নতুন সার্কুলারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, যেসব ঋণগ্রহীতা ‘ব্যবসা ও আর্থিক ব্যবস্থাদি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত নীতি সহায়তা সংক্রান্ত বাছাই কমিটি’ থেকে নীতি সহায়তা নিয়েছেন তারা ব্যাংকে নতুন আবেদন করতে পারবেন। চব্বিশের আন্দোলনের সময়কার অস্থির পরিস্থিতির কারণে ঋণ গ্রহীতা অনেক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। এসব কোম্পানির ব্যবসা চালু রাখতে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বড় ঋণ গ্রহীতাদের এমন সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। তখন ঋণের পরিমাণ নিয়ে কিছু বলা হয়নি।
সোমবারের সার্কুলারে বলা হয়েছে, খেলাপির পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকার কম হলে গত সেপ্টেম্বরে দেওয়া সুবিধা পাবেন ঋণ গ্রহীতারা। এবার নতুন সার্কুলারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, নিয়মিত ঋণ বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ঋণের মেয়াদের সঙ্গে অতিরিক্ত সর্বোচ্চ চার বছর সময় পাবেন ঋণ গ্রহীতারা।
নিয়মিত ঋণ পুনগর্ঠনের বিষয়ে ২০২২ সালের জুলাই মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, নিয়মিত মেয়াদী ঋণ পুনর্গঠনে মেয়াদী ঋণের (চলমান, তলবি বা অন্য কোনো প্রকার ঋণ রূপান্তরের মাধ্যমে সৃষ্ট নয়) বিদ্যমান অবশিষ্ট মেয়াদের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মেয়াদ বর্ধিত করে ঋণ পুনর্গঠন করা যাবে। কোন ঋণ হিসাবকে ঋণের মেয়াদের মধ্যে শুধুমাত্র একবার এরূপ পুনর্গঠন সুবিধা প্রদান করা যাবে।












