প্রতিষ্ঠার পৌনে দুই বছরে জাতীয় সম্মেলন করতে না পারলেও শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি পদে পরিবর্তন এনেছে চব্বিশের অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের গড়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গতকাল শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দলের ফেসবুক পোস্টে পুনর্গঠিত কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে।
এতে আহ্বায়ক পদে নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব পদে আখতার হোসেন পুনর্বহাল রয়েছেন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে এসেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আব্দুল্লাহ। হাসনাত আবদুল্লাহ শুরু থেকে দলের মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল); আর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মুখ্য সমন্বয়ক পদে ছিলেন।
দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম ও মুখপাত্রের দায়িত্বে থাকা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে পুনর্গঠিত কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব পদ দেওয়া হয়েছে। নতুন পুনর্গঠিত কমিটিতে সারজিস ও আসিফ অন্যদের তুলনায় দৌড়ে পিছিয়ে পড়েছেন। আগের কমিটির দুই সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীব নতুন কমিটিতে হয়েছেন কেবলই যুগ্ম আহ্বায়ক। জামায়াতের সঙ্গে জোট করার কারণে গেল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সামান্তা শারমিন অংশগ্রহণ করেননি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এরপর ১ মার্চ ২১৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে দলটি। এর কুঁড়ি মাসের মাথায় সেই কমিটি পুনর্গঠন করে ১৯৫ সদস্যের নাম ঘোষণা করা হল। সেই সঙ্গে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে, যাতে স্থান পেয়েছেন ১৬ জন। রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্যরা হলেন– নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, মাহমুদা আলম মিতু এবং নুসরাত তাবাসসুম।











