১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ টেলিভিশনে একটি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা শুরু করার নির্দেশনা প্রদান করেন। সেই নির্দেশনার আলোকে কবি গোলাম মোস্তফা রচিত বিখ্যাত কবিতা ‘কিশোর’–এর পঙক্তি ‘আমরা নতুন, আমরা কুঁড়ি নিখিল বন নন্দনে’–কে সূচনা সংগীত হিসেবে গ্রহণ করে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ওই বছর যাত্রা শুরু হয় শিশু–কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান ‘নতুন কুঁড়ি’র।
দীর্ঘদিন অনুষ্ঠানটি বন্ধ থাকার পর ২০২৫ সালে ‘নতুন কুঁড়ি–২০২৫’ পুনরায় আয়োজন করা হলে দেশব্যাপী সাড়া পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবার ‘নতুন কুঁড়ি–২০২৬’ শীর্ষক প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আজ ১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিযোগিতার আবেদন অনলাইনে ও অফলাইনে গ্রহণ করা হবে। প্রতিযোগিতার জন্য পুরো দেশকে ১৮টি অঞ্চলে ভাগ করে আঞ্চলিক বাছাই এবং ৮ টি বিভাগে ভাগ করে বিভাগীয় বাছাই চলবে। খবর বাংলানিউজের।
অভিনয়, আবৃত্তি, গল্প বলা, উপস্থিত বক্তৃতা, সাধারণ নৃত্য, লোক নৃত্য, উচ্চাঙ্গ নৃত্য, দলীয় নৃত্য, ছড়াগান (শুধু ‘ক’ শাখার জন্য), দেশাত্মবোধক গান, আধুনিক গান, নজরুল সংগীত, নজরুল সংগীত (দলীয়), রবীন্দ্র সংগীত, লোকসংগীত, যন্ত্রসংগীত, হামদ–নাত ও ক্বিরাত– এই ১৮ টি বিষয়ে ‘ক’ ও ‘খ’ শাখায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ‘ক’ শাখার প্রতিযোগীদের (ছেলে–মেয়ে) বয়সসীমা ৬ থেকে ১১ এর নিচে হতে হবে, ‘খ’ শাখার ক্ষেত্রে ১১ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্বিরাত প্রতিযোগিতা একটি মাত্র শাখায় অনুষ্ঠিত হবে। অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা ১২ থেকে অনূর্ধ্ব ১৭ বছর। ক্বিরাত প্রতিযোগিতাটি বিভাগীয় ও ফাইনাল দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেক আবেদনকারী অনলাইন অথবা অফলাইন যেকোনো একটি পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ ৩টি একক বিষয়ে কিংবা দলীয়সহ সর্বোচ্চ ৪টি বিষয়ে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও নতুন কুঁড়ির ওয়েবসাইটwww.notunkuri.gov.bd–তে ভিজিট করে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।











