আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের পদ্মা সেতু নিয়ে মুক্ত আলোচনা

সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করলে পদ্মা সেতুর স্থায়িত্বকাল হবে ১০০ বছর : প্রকৌশলী শামীম জেড বসুনিয়া

| শুক্রবার , ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ at ৫:০০ পূর্বাহ্ণ

আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘পদ্মা সেতু: একটি অভূতপূর্ব প্রকৌশল কর্মকান্ড’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ও মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পদ্মা সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রধান, এমিরেটস প্রফেসর ও ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. শামীম জেড বসুনিয়া। আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন এতে সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রের সম্পাদক প্রকৌশলী এস এম শহিদুল আলম সঞ্চালনায় করেন।
মুক্ত আলোচনায় জিপিএইচ ইস্পাতের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলমাস শিমুল, কেন্দ্রের প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল আলম, প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সাদেক মোহাম্মদ চৌধুরী, প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রের প্রাক্তন ভাইস-চেয়ারম্যান (একা. এন্ড এইচআরডি) প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কারিগরী আলোচনা ও সেমিনার কমিটির আহ্বায়ক ও প্রাক্তন ভাইস-চেয়ারম্যান ড. প্রকৌশলী রশীদ আহমেদ চৌধুরী। প্রধান অতিথি ও মুখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. শামীম জেড বসুনিয়া বলেন, বিশ্বের দ্বিতীয় খরস্রোতা পদ্মা নদীর বুকে সেতু অত্যন্ত মানসম্মতভাবে নির্মাণ হওয়ায় এখানে কোনো ঝুঁকি নেই। এ সেতু সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এর স্থায়িত্বকাল ১০০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর নিজ অর্থায়নে সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি এ সিদ্ধান্ত নিতে না পারতেন তাহলে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হতো না। পদ্মা সেতুতে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০১৩ সালে আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্র আয়োজিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের কনভেনশনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার দেখা হয়। সে সময় কথায় কথায় প্রধানমন্ত্রী তাদের কাছে জানতে চান ৬ মাসের মধ্যে বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করতে পারবেন কিনা? প্রধানমন্ত্রী জানান, এটা আমরা নিজস্ব অর্থায়নে করব।