নবজাতক মৃত্যুর প্রধান কারণ ডেলিভারি কেন্দ্রিক জটিলতা

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কর্মশালায় অভিমত

| সোমবার , ২৯ মার্চ, ২০২১ at ৭:০৮ পূর্বাহ্ণ

পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে নবজাতকের মৃত্যুর হার বেশি। প্রতি বছর জন্মের পর এ দেশে মারা যায় প্রায় ৬২ হাজার শিশু। এসব শিশুর মৃত্যু হয় জীবনের প্রথম মাসে। আর অর্ধেকই মারা যায় পৃথিবীতে আসার দিনই। অপরিণত অবস্থায় জন্ম, সংক্রমণ ও শ্বাসকষ্টের মতো ডেলিভারি কেন্দ্রিক জটিলতা থেকে সৃষ্ট পরিস্থিতিই বাংলাদেশে মৃত্যুর প্রধান কারণ। এখানে মৃত সন্তান প্রসবের হারও উদ্বেগজনক। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যের মানোন্নয়নে বর্তমান সরকার ব্যাপক কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছে। গত ২৫ মার্চ নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কীয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। নগরীর সিনেমা প্যালেস সংলগ্ন লয়েল রোডস্থ বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনএইচপি এন্ড আইএমসিআই প্রোগ্রাম কর্মশালার আয়োজন করেন। সেভ দ্যা চিলড্রেন-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত ইউএসএইড’স মা-মনি এমএনসিএসপি চট্টগ্রাম বিভাগের ৬টি জেলায় মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারের সাথে কাজ করছে। বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহ্‌রিয়ার কবীরের সভাপতিত্বে ও মেডিকেল অফিসার (সমন্বয়) ডা. উর্মি ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডাইরেক্টর (এমএনসি এন্ড এএইচ) ডা. মো. শামসুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও প্রোগ্রাম ম্যানেজার (এনএনএইচপি এন্ড আইএমসিআই) ডা. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউনেটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. জগদীশ চন্দ্র দাশ ও চমেক হাসপাতালের শিশুরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. জাফর উল্লাহ। নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কীয় জেলা ভিত্তিক সূচকগুলো তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিপিএম (এনএনএইচপি এন্ড আইএমসিআই) ডা. সাবিনা আশ্রাফি ও ডিপিএম (এনএনএইচপি এন্ড আইএমসিআই) ডা. হুসাম মো. শাহ আলম । প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধতিন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মান জানাল কাটিরহাট হাই স্কুল
পরবর্তী নিবন্ধপড়াশোনার ঘাটতি পুষিয়ে নিতে উদ্যমী ভূমিকা রাখার আহ্বান