আন্তর্জাতিক মানের উচ্চ শিক্ষা ও প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি

শামসুল আরেফীন

শনিবার , ২৪ নভেম্বর, ২০১৮ at ৮:১৬ পূর্বাহ্ণ
175

আন্তর্জাতিক মানের উচ্চ শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও অঙ্গীকার নিয়ে ২০০২ সালের জানুয়ারি মাসে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। উদ্যোক্তা প্রাক্তন মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। শুরুতে ২টি অনুষদের অধীনে বিভাগ ছিল ৩টি। বর্তমানে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ৬টি অনুষদের অধীনে ১০টি বিভাগ। এছাড়া প্রবর্তক মোড়ের দু’টি ভবন ছাড়াও দামপাড়ায়, হাজারি লেইনে, জিইসি-র মোড়ে আরও তিনটি সুবিশাল ও সুদৃশ্য ভবন রয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ অনুসারে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি স্থায়ী ক্যাম্পাসের সব শর্ত পূরণ করায় ইউজিসি এবং শিক্ষামন্ত্রণালয় প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে পাঠদানে নিয়োজিত প্রতিটি ভবনকে অনুমোদিত স্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ঘোষণা করেছে অনেক আগে। এই ঘোষণা সংক্রান্ত চিঠিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিকে অভিনন্দনও জানিয়েছে স্থায়ী ক্যাম্পাসের শর্ত পূরণ করে অনুমোদিত স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রাপ্ত হওয়ায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি কর্তৃক ঘোষিত প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভবনসমূহে যে-সব বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে, প্রতিটি বিষয়ও ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ১০টি বিভাগের অধীনে ১৪টি প্রোগ্রাম হলো- ১.ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (বি.বি.এ.) ২. ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ৩. ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন ইলেক্ট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ৪. ব্যাচেলর অব আর্টস (অনার্স) ইন ইংলিশ ৫. ব্যাচেলর অব ল’স এলএল.বি. (অনার্স) ৬. ব্যাচেলর অব আর্কিটেকচার ৭. ব্যাচেলর অব সায়েন্স (অনার্স) ইন ম্যাথমেটিক্স ৮. ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সায়েন্স ইন ইকোনোমিঙ ৯. মাস্টার অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (এম.বি.এ.)-২বছর ১০. মাস্টার অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (এম.বি.এ.)-১বছর ১১. এঙিকিউটিভ মাস্টার অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (ই.এম.বি.এ.)-১ বছর ৬ মাস ১২. মাস্টার অব আর্টস ইন ইংলিশ ১৩. মাস্টার অব সোশ্যাল সায়েন্স ইন ইকোনোমিঙ ১৪. মাস্টার অব ল’স (এলএল.এম.)।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ২০৬ জন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং ১৩০ জন অতিথি শিক্ষক, মোট ৩৩৬ জন শিক্ষক প্রায় ১০,০০০ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করছেন।
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ২০০২ সালে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ চালু করে। বর্তমানে প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও এই বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. তৌফিক সাঈদ।
এই বিভাগে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদানের জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলি ছাড়াও রয়েছে প্রয়োজনীয় সকল সুবিধা। যেমন, এখানে ২০০টি কম্পিউটার নিয়ে গঠিত ৫টি কম্পিউটার ল্যাব ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি রয়েছে ২টি সার্কিট ও ইলেকট্রনিঙ, ১টি কমিউনিকেশন এবং ১টি মাইক্রোপ্রসেসর ল্যাব। এছাড়াও প্রত্যেক শিক্ষক ও অফিসে অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারের জন্য আরও ৪০টি কম্পিউটার রয়েছে। এই বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন ধাপে রিভিউর মাধ্যমে একটি উন্নত কারিকুলাম শিক্ষা দানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।
ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের যাত্রা শুরু হয় ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে। বর্তমানে এই বিভাগের চেয়ারম্যান টুটন চন্দ্র মল্লিক। মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে সার্কিট ল্যাব, ইলেকট্রনিক ল্যাব, মেশিন ল্যাব, পাওয়ার ল্যাব, কমিউনিকেশন ল্যাব, ফিজিঙ ল্যাব, কেমিস্ট্রি ল্যাব, কন্ট্রোল সিস্টেম ল্যাব ও মাইক্রো কন্ট্রোলার ল্যাবসহ প্রয়োজনীয় সকল ল্যাব এই বিভাগে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে দুইশতাধিক কম্পিউটার নিয়ে গঠিত ৫টি কম্পিউটার ল্যাব ব্যবহার করা হয়। এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা মূলত পাওয়ার, কমিউনিকেশন ও ইলেকট্রনিঙ মেজরসমূহ নিয়ে পড়ালেখা করে থাকেন। শেষ বর্ষে এসে একটি প্রজেক্ট/থিসিস কর্ম সম্পাদন করেন। এতে তাঁদের ৪ বছরের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার প্রতিফলন ঘটে। তাঁরা অনেকগুলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যুর এবং ট্রেনিং-এ অংশগ্রহণ করে থাকেন। যেমন, নরসিংদিস্থ টিআইসিআই-তে তাঁরা মাসব্যাপী নিয়মিত প্রশিক্ষণে অংশ নেন।
আর্কিটেকচার বিভাগ

চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে একমাত্র প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে এই বিভাগ রয়েছে। ২০১২ সালের ১৫ জানুয়ারি এই বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এই বিভাগের চেয়ারম্যান সোহেল এম শাকুর। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অর্জনের সুবিধার্থে এখানে রয়েছে ১০টি ডিজাইন স্টুডিও, জুরি স্পেস ও ৩টি থিওরি রুম প্রভৃতি। প্রতিটি ডিজাইন স্টুডিওতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য নিজস্ব ডিজাইন টেবিল, আলাদা কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সব সুবিধা রয়েছে। থিওরি রুমে প্রজেক্টরের ব্যবস্থা আছে। অচিরেই ১টি হেরিটেজ ল্যাব, ১টি সেমিনার রুম ও ১টি এনভাইরোনমেন্ট ল্যাব তৈরি হচ্ছে। এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছেন।
আইন বিভাগ

২০০৩ সালের জুলাই মাসে আইন বিভাগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এই অনুষদে ও বিভাগে দীর্ঘকাল ধরে অ্যাডজাঙ্কট ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের প্রাক্তন ডিন প্রফেসর ড. মো. মোরশেদ মাহমুদ খান। বর্তমানে এই বিভাগের চেয়ারম্যান তানজিনা আলম চৌধুরী। বিভাগটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে মানসম্মত ও সর্বাধুনিক কারিকুলামের ভিত্তিতে অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ এখানে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদান করছেন। এক্ষেত্রে সহায়তার উদ্দেশ্যে প্রত্যেক শিক্ষকের, এছাড়া অফিসে অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ব্যবহারের জন্য ৩০টি কম্পিউটার রয়েছে। এছাড়াও বিভাগে রয়েছে ‘ডিবেট ক্লাব অব ল’ এবং ‘মুট কোর্ট ক্লাব’, যা শিক্ষার্থীদের বিতর্ক ও বিভিন্ন ধরনের আদালতের প্রক্রিয়ার সাথে পরিচিত করে। বস্তুত যথাযথ আইন শিক্ষা, পাশাপাশি মানবিক শিক্ষা প্রদানের কারণে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগ বাংলাদেশের পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে অগ্রগণ্য।
ব্যবসা-শিক্ষা অনুষদ

২০০২ সালের জানুয়ারি মাসে এই অনুষদের যাত্রা শুরু। বর্তমানে এই অনুষদে অধ্যাপক হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশের সুপরিচিত ও বরিষ্ঠ অধ্যাপক অমল ভূষণ নাগ। এই অনুষদে সহকারী ডিনের দায়িত্ব পালন করছেন এম. মঈনুল হক। এখানে রয়েছে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম), ম্যানেজমেন্ট, অ্যাকাউন্টিং, মার্কেটিং ও ফিন্যান্স ডিসিপ্লিন। এই অনুষদে তত্ত্বীয় শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেয়া হয় বেশি। একারণে শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট, প্রজেক্ট ওয়ার্ক, প্রেজেন্টেশন, রোল প্লেয়িং এবং প্রোগ্রাম শেষে ইন্টার্নশিপ সম্পাদন করতে হয়। এখানে কম্পিউটার ভিত্তিক বিভিন্ন সফটওয়্যার, যেমন, ডাটাবেজ সফটওয়্যার ও স্টাটিসটিক্যাল সফটওয়্যার শেখানোর জন্য ১৪০টি কম্পিউটার নিয়ে গঠিত ২টি বিশাল কম্পিউটার ল্যাবও রয়েছে, যেখানে একই সময়ে ১৪০ জন শিক্ষার্থী শিক্ষাগ্রহণ করতে পারেন। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদানের সুবিধার্থে এই অনুষদে প্রত্যেক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারের জন্য আরও ৬০টি কম্পিউটার রয়েছে।
গণিত বিভাগ

চট্টগ্রামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে একমাত্র প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে বেসিক সায়েন্সের মধ্যে গণিত বিভাগে অনার্স পড়ার সুযোগ রয়েছে। ২০১৫ সালের শুরুতে এই বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এই বিভাগের চেয়ারম্যান মো. ইফতেখার মনির। আধুনিক বিশ্বের চাহিদার কথা মাথায় রেখে গণিত বিভাগের কারিকুলাম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যেন এখান থেকে ডিগ্রি অর্জন করে শিক্ষার্থীরা গণিতের তত্ত্বীয় দিকের পাশাপাশি ব্যবহারিক দিকেও যথেষ্ট দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। সেই লক্ষ্যে গণিতের ৫টি এবং কম্পিউটারের ২টি ব্যবহারিক কোর্স কারিকুলামের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ইংরেজি বিভাগ

এই বিভাগ ২০০২ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বর্তমানে এই বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে রয়েছেন জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মোহীত উল আলম। এই বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাদাত জামান খান। প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের (এঁদের ৫ জন দেশে ও দেশের বাইরে পিএইচডি করছেন) দ্বারা এখানে শুধু ইংরেজি সাহিত্যই পড়ানো হয় না, ইতিহাস, দর্শন, বাংলা সাহিত্য, ভাষা বিজ্ঞান, সমালোচনা সাহিত্য এবং নাটকও পড়ানো হয়। এক্ষেত্রে সহায়তার উদ্দেশ্যে প্রত্যেক শিক্ষক ও অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০টি কম্পিউটার রয়েছে। ভাষা ও সাহিত্যের সকল ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা যাতে স্বচ্ছন্দে বিচরণ করতে পারেন, এসব পড়ানো হয় সেই কারণে। শিক্ষার্থীদেরকে নাটক পড়ার পাশাপাশি বাধ্যতামূলকভাবে নাটক মঞ্চায়ন ও নাটকে অভিনয়ও করতে হয়। এই বিভাগ পড়ালেখার পাশাপাশি এঙট্রা একাডেমিক এক্টিভিটিস-এর উপর জোর দেয়।
অর্থনীতি বিভাগ

২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে অর্থনীতি বিভাগের সূচনা ঘটে। বর্তমানে এই বিভাগের চেয়ারম্যান ফারজানা ইয়াসমিন চৌধুরী। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণের সুবিধার্থে এখানে ৩০ টি কম্পিউটার নিয়ে গঠিত একটি কম্পিউটার ল্যাব ব্যবহার করা হয়। তাদের শিক্ষা প্রদানে সহায়তাকল্পে বিভাগের প্রত্যেক শিক্ষক ও অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারের জন্য আরও ৩০টি কম্পিউটার রয়েছে। অর্থনৈতিক সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রায়োগিক শিক্ষা সম্পর্কে ধারণা প্রদানের উদ্দেশ্যে এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রজেক্ট ওয়ার্ক, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন, কম্পিউটারের বিভিন্ন কোর্স করানো হয় এবং মাস্টার্সে থিসিস করানো হয়। বিভাগগুলোর বিবরণ থেকে প্রতীয়মান হয়, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, এই ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগে যে-সব শিক্ষার্থী ভর্তি হন, তাঁরা দক্ষ শিক্ষকদের কাছে শিক্ষা অর্জনের সুবিধা ছাড়াও এই শিক্ষা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে লাইব্রেরি (১টি কেন্দ্রীয় ও ৪টি সেমিনার লাইব্রেরি), ওয়াইফাই (ডরভর), অডিটোরিয়াম এবং এসি সুবিধা পেয়ে থাকেন। ল্যাবরেটরি সুবিধার কথা বিভাগগুলোর বিবরণে বলা হয়েছে। তারপরও অল্প কথায় বলা দরকার যে, বিভাগগুলোতে ৮টি কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে। এই ৮টি কম্পিউটার ল্যাব, এছাড়া প্রশাসনিক ভবন এবং বিভাগগুলোর শিক্ষকবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহারের জন্য মোট কম্পিউটার সংখ্যা ৫৮০। ক্লাসরুমে ব্যবহারের জন্য ১০০টি প্রজেক্টর রয়েছে।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি প্রদত্ত আরও সুবিধার মধ্যে রয়েছে, মেরিট স্কলারশিপ, দরিদ্র অথচ মেধাবী এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটা-সহ বিভিন্ন কোটায় প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত ওয়েভার প্রদান, অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য অগ্নিনির্বাপক ও প্রতিরোধক যন্ত্রের ব্যবস্থা। এখন এসব সুবিধার সাথে যোগ হয়েছে ছাত্রীনিবাস। একটা কথা এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে মানসম্মত উচ্চ শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, ক্রীড়া ও বিজ্ঞান-সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার লক্ষ্যে নিয়মিত আলোচনা অনুষ্ঠান, সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করা হয়। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ভবিষ্যত পরিকল্পনা হলো, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গাইডেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে এদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা।

x