চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘পতিত জমিতে’ সবজি চাষ করতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে জেলার সরকারি ও বেসরকারি দাপ্তরিক প্রধানদের নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় জেলা শিক্ষা অফিসার, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বন বিভাগ, সিভিল সার্জনসহ সকল সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে তাদের চত্বরের পতিত জমিতে সবজি চাষের জন্য নির্ধারিত টার্গেট প্রদান করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে আগামী শুক্রবার এবং শনিবার সকল প্রতিষ্ঠানকে তাদের চত্বরের পতিত জমি চাষাবাদ উপযোগী করে গড়ে তোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
একই সাথে পরের সপ্তাহে তাতে সবজি বাগান করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রমকে ফলপ্রসূ করতে যারা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাবেন তাদেরকে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থান নির্ধারণ করে পুরষ্কার প্রদান করা হবে। সভায় সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে উপজেলায় পতিত জমি নির্ধারন করে তা চাষাবাদের আওতায় আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে নির্দেশা দেওয়া হয়। পাশাপাশি আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রতিটি উপকারভোগী যেন তাদের বসবাসের স্থানের পতিত জায়গা ফেলে না রাখে এবং সবজি চাষ করেন সে বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
এছাড়া বনবিভাগ, বাংলাদেশ রেলওয়ে, পানি উন্নয়ন বোর্ড, রোডস এন্ড হাইওয়েজ, বিটিএমসিসহ যে সকল সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের আওতায় চাষাবাদযোগ্য বিপুল পরিমাণ জমি পতিত অবস্থায় রয়েছে তাদেরকে সকল পতিত জমিকে সবজি চাষের আওতায় আনার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম জেলার বেশিরভাগ অফিসেই পতিত জমি রয়েছে এগুলো পতিত না রেখে কাজে লাগানোর স্বার্থেই সবজি ও ফলের বাগান করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যার ফলে সবজির ঘাটতি নিরসনসহ পরিবেশের ভারসাম্য ও ভূমি ব্যবহারের কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইউএনও অফিস ও এসিল্যান্ড অফিসগুলোর আওতায় সকল অফিসে সবজি বাগানসহ ফলের বাগান শুরু হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











