উন্নয়নে পুরো রাঙ্গুনিয়া বদলে গেছে উল্লেখ করে তথ্য ও সমপ্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, আজ থেকে ১৪ বছর আগের রাঙ্গুনিয়া আর এখনকার রাঙ্গুনিয়ার চিত্র মেলালেই তা বুঝা যাবে। রাঙ্গুনিয়ার অলিগলির সড়কও এখন আইসিসি সড়ক হয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া, হোছনাবাদ, লালানগর, দক্ষিণ রাজানগর, রাজানগর এবং পারুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এদিন মন্ত্রী রাঙ্গুনিয়ার ১০৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বজন কুমার তালুকদারসহ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সামনে জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে। অনেকেই এখন এসে বড় বড় কথা বলবে। কিন্তু জনগণের দুঃখ–দুর্দশায় যারা ছিল না, তাদের প্রত্যাখ্যান করুন। নির্বাচন আসলে যারা এসে বড় বড় কথা বলে, তাদের জিজ্ঞেস করবেন করোনার সময়, বন্যার সময় কিংবা নানা দুর্যোগের সময় তারা কোথায় ছিল। আওয়ামী লীগ দুর্যোগ–দুর্বিপাকে মানুষের পাশে থেকেছে।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ১৪ বছর আগে মরিয়মনগর ডিসি সড়কটি ছিল মাটির। রাণীরহাট থেকে মরিয়মনগর চৌমুহনী একবার গেলে প্যারাসিটামল ট্যাবলেট খেতে হত। এসব কোনো গল্প নয়, বাস্তবতা। আমরা ক্ষমতায় আসার পর সড়কটি কার্পেটিং করে দিয়েছি। প্রতিবছর বছর সড়কটি সংস্কার করা হয়। এভাবে পুরো রাঙ্গুনিয়া উন্নয়নে বদলে গেছে। আজ থেকে ১৪ বছর আগের রাঙ্গুনিয়া আর এখনকার রাঙ্গুনিয়ার চিত্র মেলালেই তা বুঝা যাবে। অলিগলির সড়কও এখন আইসিসি সড়ক হয়ে গেছে। তিনি বলেন, দেশের ব্যস্ততম একজন হওয়া স্বত্ত্বেও প্রতি সপ্তাহে একবার–দুইবার করে এলাকায় এসেছি। গত ১৪ বছর ধরে কে কোন দলের তা দেখিনি। দলমত নির্বিশেষে সকলের উপকারে আসার চেষ্টা করেছি। সবার জন্য আমার দরজা খোলা রেখেছি। আমি যখন আপনাদের দয়জায় আসবো, আপনারাও আমার জন্য আপনাদের দরজাটি খোলা রাখবেন।












