৩৫ দিন বন্ধ থাকবে ইস্টার্ন রিফাইনারি

১৬ নভেম্বর থেকে শুরু মেরামতের কাজ

আজাদী প্রতিবেদন

শনিবার , ৯ নভেম্বর, ২০১৯ at ৩:৫৭ পূর্বাহ্ণ
178

আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে মেরামত কাজের কারণে টানা ৩৫ দিন বন্ধ থাকছে রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র জ্বালানি পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)।
সাধারণত দেশের বাইরে থেকে ক্রুড ওয়েল আমদানির পর তা প্ল্যান্টে পরিশোধন করে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল, কেরোসিনসহ ১৬ প্রকারের পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন করে থাকে ইআরএল। এই প্ল্যান্টটির পরিশোধন ক্ষমতা হচ্ছে ১৫ লাখ মেট্টিকটন। দেশের জ্বালানির চাহিদা বাদবাকী পূরণ করা হয় পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম আমদানির মাধ্যমে। টানা এক মাসের অধিক সময় ধরে ইআরএল প্ল্যান্টটি বন্ধ থাকলে দেশের জ্বালানির চাহিদার ঘাতটি তৈরি হবে। এমন আশঙ্কা থেকেই বিপিসি (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন) ইতিমধ্যে জ্বালানি তেল মজুদ করা শুরু করে দিয়েছে।
ইআরএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আখতারুল হক জানান, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কারখানা শাট ডাউন করা হবে। ইআরএল দেশের মোট চাহিদার ২৫ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ করে। আমরা কয়েক মাস আগেই বিপিসিসহ বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে অনুমোদন নিয়েছি। ৩৫ দিন ওভারহোলিংয়ের পর নতুনভাবে কারখানা চালু করা হবে।
ইআরএল সূত্রে জানা গেছে, বন্ধ থাকাকালে বার্ষিক ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধনে সক্ষম কারখানাটির সব ইউনিট পরীক্ষা করা হবে। সব মেজর পার্টস খুলে পরিষ্কার করা হবে, প্রয়োজনে নতুন যন্ত্রাংশ সংযোজন করা হবে। বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ টন অকটেন, ৮০০ টন পেট্রোল ও ১১ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। সব মিলিয়ে বিপিসির মজুদ সক্ষমতা প্রায় ১৩ লাখ টন। এর মধ্যে ছয় লাখ টন ডিজেল। বর্তমানে বিপিসির কাছে ৫ লাখ ৩৫ হাজার টন ডিজেল, ১৬ হাজার টন অকটেন ও ২ লাখ ১০ হাজার টন ক্রুড ডিজেল মজুদ রয়েছে। এছাড়া চলতি মাসে ২ লাখ ৪০ হাজার টন ডিজেল, ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল ও ৪০ হাজার টন ফার্নেস অয়েল (ক্রুড) আমদানি হবে। ফলে ইআরএলের শাটডাউনের কারণে অকটেনসহ জ্বালানি তেলের সংকট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বিপিসির কর্মকর্তারা।

x