২০ লাখ কর্মজীবীকে পুষ্টি চাল সরবরাহ করবে সরকার

কর্মশালায় তথ্য প্রকাশ

রবিবার , ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
95

চট্টগ্রাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার কনফারেন্স হলে এডেকোয়েট নিউট্রিশন ফর ওয়ার্কার্স এন্ড কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি শীর্ষক কর্মশালা গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম রেজাউল করিম, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ওমর ফারুক, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার ড. মাহবুবুর রহমান, বিকেএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট গওহর সিরাজ জামিল, চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সিনিয়র সহ সভাপতি আবিদা মোস্তফা, বিকেএমইএর ফরমান ডিরেক্টর রাজীব দাশ সুজয়, শওকত ওসমান প্রমুখ। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার ড. মাহবুবুর রহমান পুষ্টি চালের ভিটামিন ও খনিজ উপাদানসমূহের উপর পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে উপস্থাপনা করেন। উপস্থাপনায় দেখা যায়, ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশে পুষ্টি চালের ব্যবহার শুরু হয়। পোশাক শিল্পে কর্মরত মহিলা ও তাদের শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ প্রোগ্রামের অধীনে ২০১৩২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশের প্রায় ২৫ লাখ কর্মজীবীর মাঝে পুষ্টি চাল ব্যবহার নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র গত বছর প্রায় ১২ লাখ কর্মজীবী মহিলা ও তাদের শিশুদেরকে পুষ্টি চাল খাওয়ানো হয়। এই বছর ২০ লাখ কর্মজীবীকে পুষ্টি চাল সরবরাহের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সরকার। সিটি মেয়র বলেন, সুস্থ থাকার জন্য পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে প্রতিদিন। প্রয়োজনীয় ক্যালরির জন্য ৬ পুষ্টি উপাদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ঠিক মতো না পেলে শরীরের সঠিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। পুষ্টিহীন শ্রমিকের উৎপাদন ক্ষমতা কম। শ্রমিকের পুষ্টি নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। কর্মজীবী মহিলা ও তাদের শিশুদের পুষ্টি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার পুষ্টি চাল সরবরাহ কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এ সম্পর্কে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য আমাদের প্রত্যেককে স্ব স্ব অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x