১১ দেশের শরণার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা তুলল যুক্তরাষ্ট্র

বুধবার , ৩১ জানুয়ারি, ২০১৮ at ৪:৪১ পূর্বাহ্ণ
270

গত বছরের অক্টোবরে উচ্চমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে যে ১১টি দেশের শরণার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, তা তুলে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। দেশগুলোর শরণার্থীদের এখন ট্রাম্প প্রশাসনের জারি করা নতুন নিরাপত্তা মানদণ্ড অতিক্রম করতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সেক্রেটারি কার্সজেন নিয়েলসনের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ১০টি দেশ ও উত্তর কোরিয়ার শরণার্থীদের এখন থেকে ‘ঝুঁকিভিত্তিক মূল্যায়ন’ কার্যক্রমে অংশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে। কারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে তা জানা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাজে অভিনেতাদের জন্য আমাদের শরণার্থী কর্মসূচির সুবিধা নেওয়া কঠিন করে তুলবে সোমবার ওয়াশিংটনের এক অনুষ্ঠানে বলেন নিয়েলসন। গত বছরের শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন ‘উচ্চঝুঁকির’ ১১টি দেশের শরণার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে।

আনুষ্ঠানিকভাবে দেশগুলোর নাম জানানো না হলেও শরণার্থী বিষয়ক সংস্থাগুলোর ধারণা, ওয়াশিংটনের এ নিষেধাজ্ঞা ছিল মিসর, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, মালি, উত্তর কোরিয়া, সোমালিয়া, সাউথ সুদান, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেনের শরণার্থীদের ওপর। গত তিন বছর যুক্তরাষ্ট্রে আসা শরণার্থীর ৪০ শতাংশেরও বেশি এ দেশগুলো থেকে এসেছে বলে তথ্য বিবিসির। ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা শরণার্থীর সংখ্যা আগের বছরগুলোর তুলনায় অর্ধেক কমে এসেছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। গত বছরের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ওই ১১ দেশের মাত্র ৪৬ নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ করতে পেরেছেন বলেও জানিয়েছে তারা। সিয়াটলের একজন বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞায় আংশিক স্থগিতাদেশ দেওয়ায় ওই ৪৬ জন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পায়। বিচারক তখন বলেছিলেন, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য বন্ধন আছে এমন শরণার্থীদের দেশে প্রবেশে বাধা দেওয়া যাবে না।

x