আকস্মিকভাবে সিএনজির গতিরোধ করে ফয়সালকে টেনে হেঁচড়ে নামিয়ে ১০ মিনিটের মধ্যেই কুপিয়ে খুন করে দুর্বৃত্তরা। এরপর তারা পালিয়ে যায়। এতে আজিজ সিকদারের নেতৃত্বে অংশ নেয় ১৫ থেকে ২০ জন। গতকাল বুধবার সকালে ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল হত্যার প্রধান আসামি আজিজ সিকদারের প্রাথমিক স্বীকারোক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে র্যাব-১৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর মঞ্জুর মেহেদি এই তথ্য জানান। ঘটনার পরপরই র্যাব অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আজিজ সিকদার ও ফিরোজ আলমকে আটক করে। তাদের আটকের বিষয়ে গতকাল সকালে ব্রিফিং করে র্যাব। সেখানে এই তথ্য জানানো হয়। আটক আজিজ সিকদার খুরুশকুল ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মৃত বাঁচা মিয়া সিকদারের ছেলে এবং ফিরোজ আলম একই এলাকার সিরাজুল হক সিকদারের ছেলে।
মেজর মঞ্জুর মেহেদি বলেন, এই হত্যাকান্ডটি সংঘবদ্ধভাবেই করা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত হত্যার মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানা যায়নি। এছাড়া এই হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলোও উদ্বারের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, আজিজ ও ফিরোজ প্রাথমিকভাবে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। হত্যাকান্ডের সঙ্গে আরো অনেকের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে আমরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারি। তাই এ বিষয়টিও গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আটক আসামিদের কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় র্যাব। গত রোববার কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন থেকে ফেরার পথে কুপিয়ে খুন করা হয় সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল উদ্দিনকে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে সদর মডেল থানায় নিহত ফয়সালের বড়ভাই নাছির উদ্দীন বাদী মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়। এদিকে ঘটনার দিন অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছিল।












