হাইব্রীড প্রাণী লিওনন

অর্ক রায় সেতু

বুধবার , ৬ নভেম্বর, ২০১৯ at ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
5

ডি.এন.এ। প্রাণীদেহের বিকাশে বিশেষ একটা ভূমিকা বা জীবনের অস্তিত্ব শুরু কিংবা শেষ, গঠন, আকৃতির বিষয়ে ধারণা পাওয়া যায় এর থেকে। প্রাণীদের ডি.এন.এ জীবিত জন্তু এবং প্রাগৈতিহাসিক মৃত প্রাণীর ক্ষেত্রে নানারূপ তথ্য প্রদর্শন করে। বর্তমানে সেটি ব্যাবহার করে অর্থাৎ দুইটি প্রাণীর ডি.এন.এর সংমিশ্রণে বিজ্ঞানীরা সৃষ্টি করেছেন এমন কিছু বিচিত্র বা অদ্ভুত প্রাণী। আর তাই করা হয় ভারতে ১৯১০ সালে সিংহী ও পুরুষ চিতাবাঘের মধ্যে ডি.এন.এর মিলন ঘটিয়ে। তাতেই জন্ম নেয় নিওনন (Panthera pardus x Panthera leo) নামের এই প্রাণী। দেহের ভাবভঙ্গি অর্থাৎ চেহারা দেখতে সিংহের মতো আর শরীর চিতা বাঘের মতো দেখতে এই হাইব্রীড প্রাণীর। চিড়িয়াখানায় এই প্রাণী সংগৃহীত করা হয়েছে।
সিংহ এবং চিতার দুইটি স্বভাব বা গুণ লিওননের মধ্যে রয়েছে। গায়ের রঙ চিতার মতো দেখতে কালো আর ডোরাডোরা অনেকটা বাদামি ধরণের উজ্জ্বল রঙ রয়েছে। একটা লিওনন লম্বায় প্রায় ২০ সে.মি পর্যন্ত হয়। কিন্তু প্রথম নিওনন জন্মানোর পর খুব বেশিদিন টিকতে পারেনি। ফেলিডি বা বিড়াল সদস্যের প্রাণী বর্গের মাঝে অন্তভুক্ত করা হয় লিওনন কে। এছাড়াও বৈজ্ঞানিক নানা রকম শ্রেণীবিন্যাস করা হয়। বিড়ালের মধ্যে সবচেয়ে বড় লিওনন। একটা নিওনন ওজনে প্রায় ৬০-১৬০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। বর্তমানে পৃথিবীর অনেক জাইগায় লিওনন প্রদশর্নীর জন্য সংগ্রহে রাখা হয়েছে।

x