হঠাৎ বিকট শব্দ, তারপর শোকেসের নিচে

আজাদী অনলাইন

রবিবার , ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ at ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
1140

নগরীর পাথরঘাটায় বাদশা মিঞা ভবনের জনতা ফার্মেসির পাশে নিজের টং দোকানে বসেছিলেন মঞ্জুর হোসেন (৪৫)। হঠাৎ বিকট শব্দের পর চাপা পড়েন শোকেসের নিচে। লোকজন এসে টেনে বের করায় বেঁচে যান। পাশেই পড়ে ছিল এক রংমিস্ত্রির মরদেহ যিনি কিছুক্ষণ আগে তার কাছ থেকে পান কিনেছিলেন।

পাথরঘাটার ব্রিক ফিল্ড রোডের ‘বড়ুয়া ভবনে’ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত সামনের টং দোকানি মঞ্জুর আজ রবিবার (১৭ নভেম্বর) সকালে বিস্ফােরণের ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন।

তিন ছেলের বাবা মঞ্জুর গলিরই স্থায়ী বাসিন্দা। তার শার্টে রক্তের ছাপ। পায়ে আঘাতের চিহ্ন। কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

তিনি বলেন, ‘জীবনে চোখের সামনে এতগুলো মানুষের মৃত্যু, এমন ধ্বংসযজ্ঞ দেখিনি। প্রাণে বেঁচেছি এর জন্য আল্লাহর কাছে হাজার শোকরিয়া।’ বাংলানিউজ

জনতা ফার্মেসির মালিক টিটু কুমার নাথ বলেন, ‘ফার্মেসির স্টাফ অনুপম ঘোষ সকালে ঝাড়ু দিচ্ছিল। তখনই দুর্ঘটনা। ভাগ্য ভালো অনুপম দোকানের ডানপাশের গ্রিলের পেছনে ছিল। বামপাশে থাকলে বাঁচতো না।’

তিনি জানান, একজন নারীসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধারে সহযোগিতা করেছেন তিনি।

অনুপম বলেন, ‘ঈশ্বরের কৃপায় এ যাত্রা বেঁচে গেলাম। এ ধরনের ঘটনার মুখোমুখি হবো কখনো ভাবনাতেই আসেনি। একটি শব্দ, তারপর ধুলোবালির ঝড়। চোখে কিছুই দেখতে পেলাম না।’

বড়ুয়া ভবনের তৃতীয় তলার ভাড়াটিয়া রিপন নাগ (৪৮) বলেন, ‘প্রচণ্ড শব্দে ভবনটি কেঁপে উঠলো। আমরা কী করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। সবাই শকের মধ্যে ছিলাম। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গিয়ে বের করে আনলেন।’

x