হকার বনাম সিটি কর্পোরেশন এবং প্রশাসন

শুক্রবার , ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ৬:২৭ পূর্বাহ্ণ

আমরা সাধারণ পথচারী, অফিস আদালতের কর্মকর্তা ও কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়। চলাচলের একমাত্র মাধ্যম রাস্তার ফুটপাত। এই গুরুত্বপূর্ণ ফুটপাতটি যদি দখলে থাকে তাহলে আমরা চলাচল করবো কী দিয়ে। গত ২৮ জানুয়ারি দৈনিক আজাদীর প্রথম পাতায় একটি সচিত্র রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর ঘণ্টা দুয়েক অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে কিছুটা দখলমুক্ত হয়েছিল মোমিন রোড, নিউমার্কেট, কাজির দেউরী, আন্দরকিল্লা, জিইসি, ওয়াসার মোড়, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, ২নং গেইট, শাহ আমানত সেতুসহ শহর এলাকার সব ফুটপাত। মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করে এবং প্রশাসনকে ধন্যবাদ দেয়। কিন্তু যে লাউ সে কদু হয়ে গেল কয়েক ঘণ্টা পর আবার ফুটপাত দখল হয়ে গেল। এ অভিযান জনসাধারণ তামাশা ছাড়া আর কিছু মনে করছে না। হকাররা এখন চৌকি ও স্টীলের চৌকি বানিয়েছে পারমেনেন্ট ব্যবসা করার জন্য। রাস্তার মাঝখানের আইল্যান্ড দখল করে হকারদের জন্য বৈদ্যুতিক জেনারেটর ব্যবস্থা করেছে প্রভাবশালী হকাররা। প্রশাসন কেন পারছে না কোনো ব্যবস্থা নিতে। তাদের দুর্বলতা কোথায়। একটি উদাহরণ দিতে পারি (কলকাতার ফুটপাত দখলে যে শাস্তি অর্থাৎ টাকায় বৃহৎ আকারে জরিমানা ও আরব আমিরাতের রাস্তা ও ফুটপাতে যে কোন অনিয়মে বিশাল অংকের টাকার জরিমানা) এটা যদি চট্টগ্রামের বেলায়ও প্রয়োগ করার কথা ভাবা যায়। তাহলে শৃঙ্খলা আসতে বাধ্য, এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত।
মাননীয় মেয়র চট্টগ্রামের এত প্রভাবশালী হওয়া সত্ত্বেও হকারদের কাছে কেন বার বার হোচট খাচ্ছে আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা এত কিছু বুঝতে চাই না। আমরা সাধারণ পথচারী, ছাত্রছাত্রী এবং অফিসগামী সাধারণ জনসাধারণ চাই অবাধে ফুটপাত দিয়ে চলাফেরা ও দুর্ঘটনা ছাড়া রাস্তায় চলাচল করতে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রামের সিটি মেয়র, পুলিশ কমিশনার, সিডিএসহ জেলা প্রশাসনের কাছে সবিনয়ে আবেদন জানাচ্ছি।
আজগর আলী, জামাল খান, চট্টগ্রাম।

x