স্মার্ট সিটি প্রকল্প ও খোলা পায়খানা প্রসঙ্গে

সোমবার , ২০ জানুয়ারি, ২০২০ at ৪:৫৫ পূর্বাহ্ণ
11

নগরীর ৪১ ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য সেবা কার্ড বিতরণ করবেন সিটি কর্পোরেশন। তাই সিটি কর্পোরেশনকে সাধুবাদ। সমাজের হতদরিদ্র মানুষগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে ওয়ার্ডের স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে পারবে। মেয়র মহোদয়ের আন্তরিক প্রচেষ্টায় নগরবাসী বিলবোর্ড জঞ্জালমুক্ত হয়েছে। ডোর টু ডোর প্রকল্পের মাধ্যমে আবর্জনামুক্ত এলাকা পেয়েছে। যার জন্য মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ।
আজ সংক্ষেপে যে বিষয়টি নিয়ে লিখব তাহলো স্বাস্থ্য যদি ভাল না থাকে তাহলে কার্ড দিয়ে কি হবে? মেয়র মহোদয় আপনি প্রতিটি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে দেখেন, প্রতিটি এলাকায় (৪১ ওয়ার্ড) যত্রতত্র কিছু কিছু বাড়ির পেছনে নালা কিংবা বড় খালের পাশে খোলা পায়খানা, যার মলমূত্র মারাত্মকভাবে এলাকার পরিবেশ দূষণ করছে। আমাদের ঘরের পেছনে (৩৬নং ওয়ার্ড) নালার সাথে খোলা পায়খানার লাইন দেয়া হয়েছে। যার গন্ধে ঘরে থাকা দায়। কাউন্সিলর মহোদয়কে বলেছি, তার উত্তর দেখছি- দেখব এই পর্যন্ত।
যারা খোলা পায়খানা ব্যবহার করছে, তাদেরকে সিটি কর্পোরেশন এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্দেশ দিতে পারে অন্তত ‘রিং’ ব্যবহার করার জন্য। মানুষ এখন অনেক স্মার্ট হয়েছে। গ্রামে-গঞ্জে পর্যন্ত এখন মানুষ রিং পায়খানা ব্যবহার করছে। তাই ওয়ার্ড এবং এলাকার পরিবেশ রক্ষার্থে জরুরি ভিত্তিতে সিটি কর্পোরেশন ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে এই দিকে নজর দিতে হবে। সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারলে, পাঁচশ কোটি টাকার স্মার্ট সিটি প্রকল্প গ্রহণ করে কি লাভ?
আমরা সিটি মেয়রের প্রশংসা না করে পারি না, যা প্রথমে উল্লেখ করেছি। ভাল কাজের প্রশংসা অবশ্যই করতে হবে। সিটি কর্পোরেশন স্বাস্থ্য বিভাগ মাননীয় মেয়র মহোদয়, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মহোদয়কে বলব, মারাত্মক পরিবেশ দূষণকারী, এসব ‘খোলা পায়খানার’ বিরুদ্ধে একটি জরুরি পদক্ষেপ নিলে ভাল হয়। যা থেকে সাধারণ মানুষ এলাকাবাসী মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও রোগব্যাধি থেকে মুক্তি পাবেন।
– জসিম উদ্দীন, জেবি স্টোর, বন্দর, চট্টগ্রাম।