স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে অহেতুক বিতর্ক কেন

মুহাম্মদ শামসুল হক

শুক্রবার , ৬ এপ্রিল, ২০১৮ at ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ
188

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

২৫ শে মার্চ দিবাগত মাঝ রাতের পর, অর্থাৎ ২৬ শে মার্চের শুরুর দিকে বার্তাটি পাঠান হয় বলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল গ্রন্থে লেখা হয়েছে।

স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস সংক্রান্ত দলিলের এই প্রামাণ্য গ্রন্থে শেখ মুজিবের দেওয়া ঘোষণার যে সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু স্পীকস, সেই পুস্তিকাটি জেনারেল জিয়াউর রহমানের জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি বর্তমান থাকতেই নানান সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে গিয়েছিলেন গ্রেপ্তার হবার আগে। জেনারেল জিয়া এসব দাবি মেনে নিয়েছিলেন।

এখন তর্কের খাতিরে বলা যেতে পারে যে, যেহেতুু সেনাবাহিনীর অফিসার হিসাবে একজন সরকারি কর্মচারী ছিলেন তাই তিনি রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের অথবা সরকারের বিরুদ্ধাচারণ করেননি। সেজন্যই এই ব্যাপারে তিনি মুখ খোলেনি। একটি ঐতিহাসিক মুহুর্তে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করে সন্তুষ্ট ছিলেন।

জেনারেল জিয়াউর রহমান যে নিজেই স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে বিতর্কের ইতি টেনে দিয়েছেন আমার সেই বক্তব্যের পক্ষে যুক্তির অবতারণার শুরু এই জায়গা থেকে। আমার বক্তব্য হচ্ছে যে, জেনারেল জিয়া সবসময় সরকারি কর্মচারী ছিলেন না তিনি প্রায় পাঁচ বছর বাংলাদেশের কর্ণধার ছিলেন। কিন্তু তিনি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে বা পরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগকারী প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হয়েও শেখ সাহেবের ঘোষণা বা শেখ সাহেবের ভূমিকার বর্ণনা পাল্টে দেবার চেষ্টা করেননি কখনো।

দ্বিতীয়: বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস লিখন ও মুদ্রণ প্রকল্প প্রতিষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারি আদেশে এবং এর কাজও শুরু হয় তাঁর আমলে, ১৯৭৮ এর জানুয়ারি থেকে। একথা মনে করা যেতে পারে যে, তিনি এই প্রকল্পের কাজ সম্পর্ক জানতেন। অথবা কমপে একথা বলা যায় যে, তিনি এই প্রকল্পের কাজে কোন হস্তক্ষেপ করেননি। কাজেই তিনি জ্ঞানতঃই বর্তমান বিতর্কের বিষয়বস্তু থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন।

শেখ সাহেব সম্পর্কে জেনারেল জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয় তাঁর মতারোহনের বেশ পরেও পাওয়া যায়। বর্তমানে (১৯৯৩ সালে) বাংলার বাণীতে কর্মরত সাংবাদিক আশরাফ খান একবার এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন যে, তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে কিভাবে মূল্যায়ন করেন। জেনারেল জিয়া তখন রাষ্ট্রপতি। যতদূর মনে পরে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন যে, ‘ইতিহাসে শেখ সাহেবের স্থান নির্ধারিত হয়ে গেছে এবং সেখান থেকে কেউ তাঁকে নড়াতে পারবে না।’ তিনি এও বলেছিলেন যে, তিনি নিজে তাঁকে (শেখ মুজিবকে) শ্রদ্ধা করেন।

পরবর্তীকালে জেনারেল জিয়ার রাজনৈতিক সহযোগী বিচারপতি আব্দুস সাত্তারও বলেছিলেন যে, শেখ মুজিবর রহমান, মওলানা ভাসানী, ফজলুল হক ও সোহরাওয়ার্দী সাহেবদের মতো নেতাদের ইতিহাসে স্থান জনগণই নির্ধারণ করে দিয়েছে। সাত্তার সাহেবও এদের সম্পর্কে জেনারেল জিয়ার মনোভাব জানতেন এবং নিজেও একই মনোভাব পোষণ করতেন বলে ধরে নেওয়া যায়।

মূলতঃ উপরোক্ত কারণগুলোর জন্যই আমার মনে হয়েছে যে, জেনারেল জিয়া শেখ মুজিবুর রহমানকেই স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা হিসাবে মেনে নিয়েছিলেন এবং তাঁকে সেভাবেই প্রতিষ্ঠিত দেখতে চেয়েছিলেন। কাজেই এখন বিএনপি ঝগড়া করে কেন এই প্রশ্ন তুলে যে, শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষক নন? উপরন্তু একথাও তো সত্যি যে, ঐতিহাসিকরা এবং সাধারণ মানুষ ১৯৭১ সালের ২৬ শে ও ২৭ শে মার্চের ঐতিহাসিক যুগান্তকারী এবং চরম বিপজ্জনক মুহুর্তে জেনারেল জিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সাহসিকতাপূর্ণ ভূমিকা মেনে নিয়েছেন এবং স্বীকার করেন, একথা সত্য, আওয়ামী লীগ যাই বলুক না কেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ গ্রন্থমালায়ও শেখ সাহেবের স্বাধীনতা ঘোষণার বার্তাটির ঠিক পরই স্বাধীনতা ঘোষণা, সরকার গঠন, স্বাধীনতা যুদ্ধের গতি ও জাতিসংঘের কাছে সাহায্য প্রার্থনা সম্পর্কে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র হতে প্রচারিত যে দুটি ঘোষণা স্থান পেয়েছে সে দুটিই জেনারেল জিয়ার। তিনিও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তাঁর যথাযথ স্থান পেয়ে গেছেন।

এখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, দলিলপত্র গ্রন্থমালায় (মোট ষোল খন্ড) সম্পর্কে কিছু কথা বলা প্রয়োজন। প্রথমত; এটি একটি ইতিহাস তৈরি করার স্বীকৃত প্রকল্প। দ্বিতীয়ত: আত্মনিবেদিত একদল গবেষক অপরিসীম ধৈর্য্য সহকারে ও অক্লান্ত পরিশ্রম করে এবং অনেক সময় ঝুঁকি নিয়ে তথ্য ও দলিল সংগ্রহ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস রচনার জন্য মালমসলা এক্ষেত্রে সন্নিবেশিত করেছেন। এ পর্যন্ত এরকম এই একটি গ্রন্থমালাই আছে আমাদের দেশে। তৃতীয়ত: এই গ্রন্থমালায় যেসব দলিল আছে তা ইতিহাসবিদ প্রফেসর মফিজুল্লাহ কবিরের সভাপতিত্বে পরিচালিত নয় সদস্যের একটি প্রামাণ্যকরণ কমিটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য বলে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত দিলে তবেই এতে স্থান পেয়েছে। কাজেই এই দলিলগুলোর মূল্য খুবই বেশি।

এই বইগুলো সম্পর্কে আরো একটি প্রণিধানযোগ্য কথা হচ্ছে যে, এগুলো দলিল ও তথ্যের সংকলন, ইতিহাসবেত্তা বা কোন গ্রন্থাগার রচিত ইতিহাস নয়। যশস্বী কবি, শিক্ষক ও সাংবাদিক প্রয়াত হাসান হাফিজুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধ সংক্রান্ত এই গ্রন্থমালার সম্পাদক হিসাবে এগুলোর ভূমিকা লিখেছেন। তাতে তিনি বলেছেন, ‘ইতিহাস রচনার দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেও এই প্রকল্প স্বাধীনতাযুদ্ধ সংক্রান্ত দলিল ও তথ্যসমূহ প্রকাশনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর কারণ, সমকালীন কোন ঘটনার বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মতো একটি যুগান্তকারী ঘটনার ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতা রক্ষা করা এবং বিচ্যুতির সম্ভাবনা এড়িয়ে যাওয়া বস্তুত অত্যন্ত দুরূহ। এজন্যেই আমরা ইতিহাস রচনার পরিবর্তে দলিল ও তথ্য প্রকাশকেই অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছি। এর ফলে দলিল ও তথ্যাদিই কথা বলবে, ঘটনার বিকাশ ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে, ঘটনা পরম্পরার সংগতি রক্ষা করবে।’

স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাস জানা বা বোঝার জন্য এসব দলিলপত্র পড়লে বা দেখলেই তো হয়। দলীয় ঝগড়া করে স্বাধীনতা যুদ্ধকে খাটো করা কি উচিত? তাহলে তো স্বাধীনতা সংগ্রামীদের খাটো করা হয়তিনি শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান, তাজুদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মওলানা ভাসানী, জেনারেল ওসমানী, জেনারেল সফিউল্লা, ব্রিগ্রেডিয়ার খালেদ মোশরররফ, কাদের সিদ্দিকী বা সিরাজ সিকদার যিনিই হোন না কেন।

এতগুলো নাম যখন এসে গেল এবং আরো বহু নাম আছে তখন একথাও উপলব্ধি করা প্রয়োজন যে, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলেছিল ১৯৭১ এর মার্চ মাস থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু মুক্তি সংগ্রাম চলেছে বহুদিন দরে। হাসান হাফিজুর রহমান তাঁর ভূমিকায় যেমনটি লিখছেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের পশ্চাতে বিরাট পটভূমি রয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধকে এই পটভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখা যায় না। এই পটভূমির ঘটনাবলী যাকে মুক্তিসংগ্রাম বলে অভিহিত করা যায় তার অনিবার্য পরিণতিই স্বাধীনতা যুদ্ধকে অবশ্যাম্ভাবী করে তোলে।’

আসল কথা হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতা প্রাপ্তি কারো একার অবদান নয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে এমন নেতার দরকার হয় যার ডাকে স্বাধীনতাকামী দেশটির সন্তানরা সেই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বে। শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আমাদের সেই নেতা।

একথা বলেও পার পাওয়া যাবে না যে, শেখ মুজিবুর রহমান ঘটনাচক্রে সেই নেতা বা তিনি আপোষকামী নেতা ছিলেন। ১৯৭০ সালে নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি প্রায় প্রতিটি সভাতে ছয় দফার জন্য ভোট চেয়ে বলতেন, ‘আপনারা ছয় দফাকে ভোট দেবার পরও যদি পাকিস্তান সরকার এই দাবি না মানে তাহলে আমার দাবি হবে।’ এ পর্যন্ত বলে তিনি একটি আঙ্গুল তুলে দেখাতেন। অর্থাৎ দাবি তখন হবে একটাইস্বাধীনতা। জনগণের মধ্যে স্বাধীনতার জন্য চরম সংগ্রাম বা যুদ্ধ করার মানসিকতা সৃষ্টির কাজ তিনি করে যাচ্ছিলেনআগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া সত্ত্বেও এবং মাথার ওপর সামরিক শাসন চেপে থাকলেও পয়লা মার্চের পর থেকে শেখ সাহেব যে বেশ তাড়াতাড়ি স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে যাচ্ছেন এবং পরিস্থিতিও তাঁকে সে দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছিল এটা এখন বেশ পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। তাঁকে প্রয়োজনে যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে হবে সেজন্যও সম্ভবত তিনি মনে মনে প্রস্তুত হচ্ছিলেন। এবং সেভাবেই হয়তো তিনি শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস বইটিতে উল্লেখিত ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে একটা প্রশ্ন যে শক্তভাবে করা যায়, সেটা হচ্ছে কিভাবে স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হবে অথবা সে যুদ্ধ কিভাবে করা হবে, তার জন্য কী কী প্রস্তুতি কিভাবে নেয়া হবে এসব সম্পর্কে তার কোন নির্দেশ বা কোন চিন্তাভাবনা ছিল কিনা। পরবর্তীকালে, ২৬শে মার্চ রাত্রে শেখ সাহেব পাকিস্তানিদের হাতে ধরা দিলেও এবং তারা তাঁকে তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে ‘পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অভিযোগে’ বিচার করলেও (পাকিস্তানী সরকারী প্রেসনোট, আগস্ট ১০, করাচী) তিনি তো কখনো পাকিস্তানীদের বলেননি যে, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা চান না। সে কথা বললে তো ইয়াহিয়া খানরা তখনই তা প্রচার করতো, কারণ বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার তো তাঁকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে তাঁর নামেই যুদ্ধ চালাচ্ছিলেন। জেনারেল জিয়াউর রহমানও তো শেখ মুজিবের পক্ষেই যুদ্ধ শুরু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। প্রবাসী সরকার মেহেরপুরের আম বাগানে ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখ যে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ফরমান ঘোষণা করেছিল তাতেও বলা হয়েছিল যে, যেহেতু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর আইনসঙ্গত কর্তব্য পালন করে ২৬ মার্চ ঢাকায় স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। সেই শেখ মুজিবুর রহমান যদি পাকিস্তানের বশ্যতা স্বীকার করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি বলে বলতেন বা যে ঘোষণা দিয়েছেন বা যে ঘোষণা তাঁর নামে প্রচারিত হয়েছে বারে বারে তা প্রত্যাহার করে নিতেন বা ইয়াহিয়া খানের সাথে সন্ধি করতেন, তাহলে স্বাধীনতা যুদ্ধ চালান কঠিন হতো।

অন্যদিকে, শেখ সাহেব যদি সর্বসমক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দিতেন, কিন্তু তারপরও সেনাবাহিনীর জিয়াউর রহমান শফিউল্লাহ, খালেদ মোশাররফ, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ, রাজারবাগের পুলিশরা, পিলখানার ইপিআরএর সৈন্যরা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্ররা, রিকশাওয়ালারা, শ্রমিকরা এবং সর্বোপরি কৃষকরা স্বাধীনতা যুদ্ধে নেমে না পড়েতন তাহলে স্বাধীনতার যুদ্ধ হতো না এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না।…..

সেজন্যই স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতা যুদ্ধে যার যা আত্মত্যাগ, অবদান ও ভূমিকা আছে আমাদের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য এই যে, তা স্বীকার করে নেওয়া। এবং কর্তব্য পালন করার পরিবেশ সৃষ্টি করা, দেশের সত্যিকারের প্রকৃত ইতিহাস (দাবিকৃত ‘প্রকৃত’ ইতিহাস নয়) জানা ও উপলব্ধি করা। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার পথ করে দেবার জন্য এখন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ঝগড়া থামান উচিত।” (‘স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে অহেতুক বিতর্ক’, আতাউস সামাদ, দৈনিক জনকণ্ঠ, উদ্বোধনী সংখ্যা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৩)

লেখক : সম্পাদক, ইতিহাসের খসড়া, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণাকর্মী।

x