সাঙ্গু নদীতে চিংড়ি পোনা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

বৃহস্পতিবার , ২৪ অক্টোবর, ২০১৯ at ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ
30

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যে কয়টি নদী উৎপত্তি তার মধ্যে একটি সাঙ্গু। এটি শঙ্খ নদী নামেও পরিচিত। কর্ণফুলীর পর এটি চট্টগ্রাম বিভাগের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী। বান্দরবান জেলা শহরও এ নদীর তীরে অবস্থিত। এ জেলার জীবন জীবিকার সাথে সাঙ্গু নদী ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শুষ্ক মৌসুম এলে এই নদীতে চিংড়ি পোনার ঢল নামে। গত ১৫ অক্টোবর এমন চিত্র দেখা যাই। শুষ্ক মৌসুমে সকাল সকাল এমন চিত্র প্রায় দেখা যাই। বান্দরবানে দুর্গম থানছি উপজেলাসহ পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় মেইন গাছের বিষাক্ত রস পানিতে ছিটিয়ে দিলে ঘন্টাখানেকের মধ্যে মাছ জ্ঞান হারিয়ে পানিতে ভেসে উঠে। এছাড়াও যেখানে মেইন গাছের রস নাই সেখানে বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহার করে মাছ মেরে ধরে ফেলছে দুর্বৃত্তরা। রাতের আঁধারে মাছের উৎসস্থলে কীটনাশক প্রয়োগ করে তারা মাছ ধরে এবং নদীর নিম্ন অঞ্চলে ছোট বড় চিংড়ি ও পোনা ভেসে আসে। নদীতে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগে এই নদীর প্রায় মাছ বিলুপ্ত। এক সময় এই নদীতে চিতল, চেলা,পাবদা, চিরিং, জাত পুটি, বোয়াল,কেচকি,কাটা চান্দা, কই কান্দব, বাইলা, দোয়া, চিংড়ি, শাল বাইম, ভেদা নামে ৩৯টি প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু বর্তমানে তেমন বেশি মাছ পাওয়া যাইনা বলে জানাই স্থানীয় জেলেরা। শত শত জেলে পরিবার চলে এই নদী ঘিরে। কিন্তু বর্তমানে নদীতে তেমন মাছ পাওয়া না যাওয়ায় উপার্জনের পথ বন্ধ। তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই সাঙ্গু নদীতে চিংড়ি পোনাসহ মাছ রক্ষায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
মোঃ সাইমুন, সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম।

x