সন্দ্বীপে জমে উঠেনি পশুর হাট

সন্দ্বীপ প্রতিনিধি

শুক্রবার , ৯ আগস্ট, ২০১৯ at ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ
37

পবিত্র ঈদুল আযহা আসন্ন তবে এখনোও জমে উঠেনি সন্দ্বীপের কোরবানির হাট। বেচাকেনা একেবারে নেই বললেই চলে। এ জন্য ক্রেতার কম উপস্থিতি ও গরু লালন পালনের সমস্যাকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে শেষ মুহূর্তে বেচাকেনা জমে উঠবে বলে বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা আশা করছেন। হাটগুলোতে গরু, ছাগল, ভেড়া অত্যাধিক দেখা গেলেও মহিষ তেমন একটা নেই বললে চলে। বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন উড়িরচর থেকে প্রতি বছর কিছু গরু, ছাগল, ভেড়া আসলেও এ বছর তেমন আসেনি। বিদেশী গরু তেমন একটা চোখে পড়ে নি। বেপারিদের গরুও অন্যান্যবারের তুলনায় অনেক কম। তাই অনেক বেশি দামে গরু কিনতে হতে পারে মানুষকে। গত সোমবার থেকে কোরবানির হাট শুরু হয়েছে। উপজেলার আকবরহাট, শিবেরহাট, ধোপারহাট, বকতার হাট, বাতেন মার্কেট, ঘাট মাঝিরহাট, মুন্সিরহাট, নাজিরহাট, গুপ্তছড়া বাজারসহ প্রায় ১৫টি স্থানে কোরবানির হাট বসেছে। কিন্তু ঈদ আসন্ন হলেও বেচাকেনা জমে উঠেনি এখনো। বিক্রেতারা পশুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করার কারণে ভোগান্তিতে ক্রেতারা।
নুরুন নবী রুমি নামে একজন স্বাস্থ্যকর্মী বলেন, আগে গরু কিনে তার যত্ন নেওয়া কষ্টকর। এছাড়াও অন্যান্যবারের চেয়ে এবার পশুর দাম বেশি। তাই আরো একটু বাজার ঘুরে দেখতে হচ্ছে। লালন-পালনে বেশি খরচ হওয়ায় এবার পশুর দাম কিছুটা বেশি হাঁকা হচ্ছে। কালাপানিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা কলেজ ছাত্র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, এবার সন্দ্বীপের উৎপাদিত গরু দ্বারা কোরবানি করতে হবে। বাহির থেকে গরু আসেনি তেমন। তাই দামও অনেক বেশি।
বিক্রেতা মো. বেলাল বলেন, পশুর খাদ্যের দাম অনেক বেশি। লালন পালনও কষ্টকর। এবার গতবারের তুলনায় পশুর দাম একটু বেশি।
ইজারাদাররা মনে করছেন, বাজারে দাম একটু বেশি থাকায় বেচাকেনা কম। অনেকে বাড়ি থেকে গরু কিনে ফেলে। এবার আমরা লোকসানে পড়তে পারি।
সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ শরিফুল আলম বলেন, সারাক্ষণ কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক রয়েছে পুলিশ।

x