সকল যুবক ভালো কাজে মনসংযোগ করুক

আজিজা রূপা

সোমবার , ৪ নভেম্বর, ২০১৯ at ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ
51

বিশ্ব যুব দিবস। আমরা এমনই এক সৌভাগ্যবান দেশে বাস করি যে দেশে রাস্তায় হাঁটতে গেলে আপনি ৯ জন যুবক দেখবেন একজন বৃদ্ধ দেখবেন। কিন্তু আমাদের কিছু প্র্যাকটিস, গতানুগতিক চিন্তাধারার কারণে আমাদের যুব সমাজ ভুগছে হতাশায়। নিমজ্জিত হচ্ছে অন্ধকারে। লিপ্ত হচ্ছে অপ্রীতিকর ঘটনায়। জনসংখ্যা একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ, আর সেখানে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ হয় যুব তাহলে তো আর কথাই নেই। আমাদের যুবদের মাথা থেকে ঝাড়িয়ে ফেলতে হবে- পড়ালেখা আর ডিগ্রি অর্জন করবো শুধুমাত্র একটি ভালো চাকরির জন্য এই গতানুগতিক চিন্তাধারা। চাকরি হলে জীবন সফল। না হলে হায় হুতাশ। এটা না হয়ে শ্লোগান এমন হোক- ঝেড়ে ফেল যত হতাশা, লুফে নাও কারিগরি শিক্ষা। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাদের আলোকিত করে তাই এর পাশাপাশি আমাদের নিজের মেধাকে সৃজনশীলতায়, উদ্ভাবনায় বিকশিত করতে হবে। পরনির্ভরশীলতা যুব হওয়ার প্রারম্ভে বাদ দিয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার প্রত্যয়ে নিজেকে গড়ে নিতে হবে। চাকুরি করবো নয়, চাকুরি দিব এই প্রত্যয় হৃদয়ে গেঁথে নিতে হবে। কেউ আবার কিছু করা মানে মোটাদাগেরপুঁজি লাগবে এই আশায় বসে থাকেন। খুব বেশি পুঁজি দিয়ে খুব বিশাল কিছু শুরুতে কেন করতে যাবেন। আজকের অর্জনই হতে পারে আগামীকালের পুঁজি। আপনি আজকে যা শিখলেন সেটা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কিংবা কোন কারিগরি শিক্ষা। তাই আপনি অন্য আরেকজনকে শিখান। তাতে যদি আপনার ১০০ টাকা আয় হয়। তা আপনি পুঁজি হিসেবে অন্য আরেকটি কাজে লাগিয়ে যদি ১০০ টাকাকে ১৫০ টাকা করতে পারেন, সেটাই আপনার টাকা। আর এভাবেই আপনি আস্তে আস্তে উপরে উঠতে পারবেন। স্বাবলম্বী হতে পারবেন। একটা প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে পারবেন। সময় নষ্ট না করে আমাদের দেশের সকল যুবক যেন নিজেকে উন্নত করতে পারে। তাহলেই দেশ আপনা থেকেই উন্নয়ন হবে। সকল যুবক ভালো কাজে মনসংযোগ করুক, খারাপ কাজ প্রত্যাহার করুক। এই কামনা।

x