শেখ হাসিনাকে নোবেল বঞ্চিত করতে আবরার হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে : মেয়র (ভিডিও দেখুন))

আজাদী প্রতিবেদন

রবিবার , ১৩ অক্টোবর, ২০১৯ at ৩:৩২ পূর্বাহ্ণ
262

সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, ‘ঢাকায় আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এটা দুঃখজনক। কিন্তু এটা যারা করেছেন, তাদের কাছে কী দলের নির্দেশনা আছে? তারা অতি উৎসাহী হয়ে করেছেন। এখন খুঁজে বের করতে হবে, তাদেরকে দিয়ে কেউ কাজটা করিয়েছেন কি না। শান্তিতে নোবেল প্রাইজ পাওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নামটাও সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় ছিল। যেদিন নোবেল কমিটি এই নোবেল প্রাইজের জন্য বসেছেন সেদিনই এ কাজটি হয়েছে। এখানেতো দূরভিসন্ধি থাকতে পারে। ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত থাকতে পারে। যাতে উনি নোবেল প্রাইজটা না পান।’

মেয়রের বক্তব্যের ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন: https://bit.ly/35ARPkX

তিনি বলেন, আমেরিকার মতো সভ্য দেশেও মার্ডার হচ্ছে। আমাদের দেশে যে পার্সেন্টেজে ক্রাইম হচ্ছে, ওই দেশগুলোতে আরো বেশি হচ্ছে। এগুলো প্রমাণিত সত্য। পার্থক্য হচ্ছে, সেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হয়। অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করা হয়। আমাদের এখানে অপরাধীরা একসময়ে পার পেয়ে যেতো। এখন অপরাধীরা পার পাচ্ছে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে আবরার হত্যাকাণ্ডেও ভিডিও ফুটেজ দেখে এ পর্যন্ত ১৮জনকে আটক করা হয়েছে।
কোটা আন্দোলনেও শিবির-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সম্পৃক্ত ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখনও তাই হচ্ছে। তারা একের পর এক চেষ্টা চালাচ্ছে। সরাসরি আমাদের ভেতরে প্রবেশ করে করছে। বোল পাল্টিয়ে ছাত্রলীগ, যুবলীগ হয়ে। কোন একটা ঘটনা ঘটলে তারা রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে তাদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করছে। কিন্তু আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি, আমাদের এ বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। জনগণের সমস্যা নিয়ে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। তবে অন্য কেউ সুযোগটা না পায় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।’
কোরশেদ আলম সুজন বলেন, বর্তমানে যে শুদ্ধি অভিযান চলছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাঘের পিঠে সওয়ার হয়েছেন। হয় বাঘকে মেরে ফেলতে হবে। নয়তো বাঘ উনাকে মেরে ফেলবেন। উনাকে মেরে ফেলা মানে বাংলাদেশকে মেরে ফেলা।
মেয়রের নির্দেশ উপেক্ষা করেই নেতাকর্মীদের স্লোগান : বেলা ১টা ৩২ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। মেয়র প্রবেশের পরেই মিছিল নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবু নাছের। এসময় তার সাথে থাকা নেতাকর্মীরা নাছির ভাই নাছির ভাই স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় মেয়র তাদের স্লোগান বন্ধ করার জন্য বেশ কয়েকবার অনুরোধ করার পরেও তারা স্লোগান চালিয়ে যান। এসময় মেয়র মাইক্রোফোন নিয়ে তাদের স্লোগান বন্ধ করার নির্দেশ দিলে শান্ত হন নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে দাওয়াত ছিল না স্থানীয় সংসদ সদস্যের : অনুষ্ঠানটি বন্দর-পতেঙ্গা এলাকায় এবং ওই এলাকার সমস্যার বিষয়ে আয়োজন হলেও দাওয়াত ছিল না স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ লতিফের। এ বিষয়ে শনিবার রাতে অনুষ্ঠানের সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, ‘আয়োজনটা ছিল স্থানীয় নাগরিকদের সমস্যা নিয়ে সেবা সংস্থাগুলোর সাথে। সেবার সাথে যারা জড়িত আছেন তাদের রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ, বন্দর, গ্যাস, ওয়াসাসহ সেবা সংস্থাগুলোকে রাখা হয়েছে। ওনিতো (এমপি) কোন সেবা সংস্থার সাথে যুক্ত নন। আর ওনিতো দলের মিটিংয়ে এমনিতে কম আসেন।’

x