লাইটার সংকট নিয়ে বন্দর ব্যবহারকারীদের সাথে আজ বৈঠক

আজাদী প্রতিবেদন

বৃহস্পতিবার , ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ at ৫:৪০ পূর্বাহ্ণ
92

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে পণ্য খালাসে লাইটারেজ জাহাজের সংকট নিয়ে এবার বৈঠক আহ্বান করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। লাইটারেজ জাহাজের সংকট নিয়ে কর্তৃপক্ষ বন্দর ব্যবহারকারীদের সাথে আলোচনা করে একটি কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে চায়। আজ বিকেল দুইটায় বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে বন্দর ব্যবহারকারী সকল সংস্থার সাথে অনুষ্ঠাতব্য বৈঠকে ৩৬টি সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবাল বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন। বহির্নোঙর থেকে পণ্য খালাসে গতিশীলতা আনতে আজকের বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। বৈঠকে লাইটারেজ জাহাজ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা হবে।

উল্লেখ্য, বন্দরের বহির্নোঙরে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে গত কয়েক মাস ধরে। এক একটি জাহাজকে দেড় থেকে দুই মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করে পণ্য খালাস করতে হচ্ছে। লাইটারেজ জাহাজ না থাকায় চার পাঁচ দিনেও একবার বার্থিং মিটিং করা সম্ভব হচ্ছে না। ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল আমদানিকারকদের দায়ী করে বলেছে, আমদানিকারকরা লাইটারেজ জাহাজকে ভাসমান গুদাম বানিয়ে রেখেছেন। অন্যদিকে আমদানিকারকদের দাবিভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে তিন শতাধিক লাইটারেজ জাহাজ মংলা চলে গেছে। এতে চট্টগ্রাম অঞ্চলে লাইটার সংকট প্রকট হয়েছে। আমদানিকারককে অলস বসে থাকা এক একটি মাদার ভ্যাসেলের বিপরীতে আট থেকে দশ কোটি টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে আমদানিকারকরা আবেদন করেছেন। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ আজ বৈঠকে বসছে। আমদানিকৃত খাদ্য শস্য, চিনি, সার, সিমেন্ট ক্লিংকার, পাথর, কয়লাসহ বছরে প্রায় চার কোটি টন পণ্য লাইটারেজ জাহাজের মাধ্যমে পরিবহন করা হয়। ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের নিয়ন্ত্রণে প্রায় বারোশ’ লাইটারেজ জাহাজ চলাচল করে। এর বাইরেও বিভিন্ন শিল্পগ্রুপের নিজস্ব লাইটারেজ জাহাজ রয়েছে।

x