রেজাক খানের যুক্তি শেষ খালেদার খালাস দাবি

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়

বৃহস্পতিবার , ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ at ৫:৩৯ পূর্বাহ্ণ
89

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেছেন আইনজীবী আবদুর রেজাক খান। খবর বিডিনিউজের।

ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামান বকশীবাজারের কারা অধিদপ্তরের মাঠে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে বসে গত ২০ ডিসেম্বর যুক্তিতর্কের শুনানি শুরুর পর পাঁচ কার্যদিবসের চারদিনই খালেদার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এই আইনজীবী। গতকাল বুধবার যুক্তিতর্ক শুনানির পঞ্চম দিনে দুপুর পেরিয়ে আইনজীবী রেজাক খান তার যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। পরে বিএনপি নেত্রীর পক্ষে নতুন করে যুক্তি তুলে ধরা শুরু করেন তার আরেক আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। এর আগে খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন রেজাক খান। মাঝে ১৫ মিনিটের বিরতি দিয়ে দুপুর পৌনে দুইটা পর্যন্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন তিনি। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার যুক্তিতর্ক শেষ বলে আদালতকে জানিয়ে মামলা থেকে বিএনপি নেত্রীকে খালাস দেওয়ার দাবি জানান রেজাক খান। চারদিন নিজের যুক্তি তুলে ধরে শেষে এসে তিনি আদালতকে বলেন, এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তাকে খালাস দেওয়ার দাবি জানাই। এদিকে বিএনপি নেত্রীর পক্ষে তার আরেক আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন প্রথম বারের মতো যুক্তিতর্ক শুরু করলেও দিনের শুনানি শেষ হওয়ার আগে মাত্র ১৫ মিনিট সময় পান তিনি। বিচারক আজ বৃহস্পতিবারও তার যুক্তি উপস্থাপনের সময় রেখেছেন। ১৫ মিনিটের বক্তব্যে খন্দকার মাহবুব বলেন, আমরা যাই বলি না কেন, এই মামলার সাক্ষী প্রমাণে যাই থাকুক না কেন, বলতে হবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা, এবং এই মামলার উদ্দেশ্য হল যে কোনোভাবেই বলতে হবেএটাই চোর, আমাদেরকে চোর বলতে হবে।

পঞ্চম দিনে মামলার প্রধান আসামির এক আইনজীবীর যুক্তি উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর দুদকের আইনজীবী কাজল সাংবাদিকদের বলেন, তারা বলছে খালেদা জিয়া কোনো অন্যায় করেনি। আমরা বলছি প্রধানমন্ত্রীর যে দায়িত্ব, সাংবিধানিকভাবে অর্থসম্পদ সব কিছুর ব্যাপারে দায়দায়িত্ব তার। অর্থ যেটা এসেছিলতা দুইভাগে ভাগ করে এক ভাগ তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানকে, আরেকভাগ তারেক রহমানকে দিয়েছিলেন। তারা বলছে (খালেদা জিয়ার পক্ষ) মোস্তাফিজুর রহমান বা তার সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে কেন মামলা হয়নি। এসবের জবাব আমরা দেব। মোস্তাফিজুরর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করা না করা প্রসিকিউশনের ব্যাপার। জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এ মামলা করে দুদক।

x