রফিক আহমদ খান (আসুন আমরা ডাস্টবিন ব্যবহারে অভ্যস্ত হই)

শনিবার , ৩০ মার্চ, ২০১৯ at ৮:০১ পূর্বাহ্ণ
51

: ডাস্টবিন ব্যবহার করতে হয়, নিজেদের জায়গাটুকু যেখানে বসে আছি-হাঁটছি-খাচ্ছি সেখানে পরিষ্কার রাখতে হয় ; বিষয়টা প্রশিক্ষণ দিয়ে কী বুঝাতে হবে আমাদের? মোটেই না। কিন্তু আমরা এমনভাবে চলি যেন ডাস্টবিন ব্যবহার করতে হয় সেটি হাতে ধরে বুঝিয়ে বলতে হবে আমাদের। হাতের কাছেই ডাস্টবিন, অথচ আমরা ময়লা ফেলি আশেপাশে মাটিতে! যেখানে ইচ্ছে। কী এক আশ্চর্য অভ্যাস আমাদের। অবাক হওয়ার মত এমন পরিস্থিতি দেখা যায় চট্টগ্রামের ডিসি হিল পার্কে। ডিসি হিলের নজরুল মঞ্চ ও পুরো পার্ক এলাকায় প্রতিদিন বিকেলে হাজারো মানুষ হাঁটাহাঁটি করেন, পার্কে বসে সময় কাটান, গল্প করেন। হাঁটতে হাঁটতে বা বসে বসে অনেকেই বুট-বাদাম-ঝালমুড়ি সহ এটা সেটা খান। দেখে খুব ভাল লাগে। সেই ভালো লাগা উধাও হয়ে যায়- যখন দেখি পুরো এলাকায় বুট-বাদাম-ঝালমুড়ির পরিত্যক্ত কাগজ আর ঠোঙ্গা। অথচ সেখানে সবজায়গায় পর্যাপ্ত ডাস্টবিন আছে। অধিকাংশ মানুষ হাতের কাছে ডাস্টবিনে ময়লা না ফেলে, মাটিতেই ময়লা ফেলে দেন! যত্রতত্র কাগজ ঠোঙ্গা ফেলে নিজেদের জায়গার সৌন্দর্য ও পরিবেশ আমরা নিজেরাই নষ্ট করি। অনেকেই বলতে পারেন সেখানে গাছের শুকনো পাতা আছে অসংখ্য। তাঁদের জন্য বলতে হয়, পাতা হলো প্রাকৃতিক আর পরিত্যক্ত কাগজ ঠোঙ্গা মানবসৃষ্ট আবর্জনা। এটা পরিবেশ অসুন্দর ও দূষণ করে। আমরা যদি হাতের কাছেই ডাস্টবিনটা ব্যবহার করি তাহলে পরিবেশ সুন্দর ও দূষণমুক্ত থাকবে। আসুন আমরা ডাস্টবিন ব্যবহারে অভ্যস্ত হই।

x