রপ্তানিখাতে নরডিক-চীনের সহযোগিতা চান বাণিজ্যমন্ত্রী

শনিবার , ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ at ৪:০৭ পূর্বাহ্ণ
72

টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। দেশে এখন একের পর এক গ্রিন ফ্যাক্টরি চালু হচ্ছে। পৃথিবীর বড় কমপ্লায়েন্স ফ্যাক্টরি এখন বাংলাদেশে। বাংলাদেশের শ্রমিকরা এখন কর্মবান্ধব ও নিরাপদ পরিবেশে কাজ করছে। সব ফ্যাক্টরিতে বিল্ডিং সেফটি, ফায়ার সেফটিসহ সব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ দফতরে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরডিক রাষ্ট্রদূতরা অর্থাৎ সুইডেনের রাষ্ট্রদূত চারলোটা সেলটার, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লাকেন ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ইউননি ইস্টারআপ পিটারসেন এবং চীনের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত লি জিমিং সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) তপন কান্তি ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চীন ও নরডিক দেশসমুহ বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র এবং বড় ব্যবসায়িক অংশীদার। উভয় দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বেড়েই চলছে। ওইদেশগুলো থেকে বাংলাদেশ আরও বেশি বিনিয়োগ আশা করে এবং আরও বেশি রপ্তানি সুবিধা প্রত্যাশা করে। বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদনের খরচ কম। তারা বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদন করে সারাবিশ্বে রপ্তানি করতে পারে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা সহজ করলে উভয় দেশের বাণিজ্য আরও বাড়বে।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের জন্য উপযুক্ত মজুরি নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের শ্রমিকরা সব ধরনের শ্রম অধিকার ভোগ করছে। ইপিজেড-এ শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের শ্রমিকরা এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কারখানায় কাজ করছে। শ্রমিকদের অধিকার, মজুরি এবং উন্নত কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার সবসময় আন্তরিকতার সঙ্গে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নরডিক রাষ্ট্রদূতরা বলেন, বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর নিরাপদ কাজের পরিবেশ ও শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে। শ্রমিকদের কল্যাণে আরও কিছু করার সুযোগ আছে। ইউরোপিয় ইউনিয়নসহ নরডিক রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশকে বাণিজ্য সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে, ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

x