মুক্তিযুদ্ধে বেতারের অবদান ইতিহাসে অম্লান থাকবে

চট্টগ্রামে বিশ্ব বেতার দিবসের অনুষ্ঠান

শুক্রবার , ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ at ৫:২৭ পূর্বাহ্ণ

‘বেতার ও বৈচিত্র্য’ -এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও গতকাল বৃহষ্পতিবার ‘বিশ্ব বেতার দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া। র‌্যালির উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র বহুকাল ধরে সমাজের বিভিন্ন চিত্র প্রচার করে আসছে। এই বেতারের মাধ্যমেই আমি প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা শুনতে পাই। পাশাপাশি গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাদের গান, স্লোগান ও নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশ মাতৃকার সেবায় উদ্বুদ্ধ করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে বেতারের এই অবদানের কারণে বেতার সর্বদা ইতিহাসের পাতায় অম্লান থাকবে। আর প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে ভবিষ্যতে বেতার আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে বলে আমি মনে করি।
সবাইকে বিশ্ব বেতার দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক মো. আজগর আলী বলেন, বাংলাদেশ বেতার একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান, বাঙালী জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ঔ সংস্কৃতির লালনে বাংলাদেশ বেতারের অবদান অনস্বীকার্য। সংস্কৃতি হলো একটি জাতির প্রাণ, সংস্কৃতি বা শিল্পের মৃত্যুতে জাতির মৃত্যুও অনিবার্য। এই সংস্কৃতি লালনের কাজটাই করে থাকে বাংলাদেশ বেতার। জাতির পিতার ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরের স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করেছিল এই বাংলাদেশ বেতার, চট্টগ্রাম। আঞ্চলিক বার্তা নিয়ন্ত্রক গোপাল চন্দ্র দেব বেতার দিবসে তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নতুন যুগে বর্তমানে বাংলাদেশ বেতার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই চ্যালেঞ্জে মোকাবেলায় বাংলাদেশ বেতার বসে নেই। বর্তমানে চট্টগ্রাম বেতারের অনুষ্ঠানসমুহ অনলাইনে লাইভ স্ট্রিমিং হচ্ছে। র‌্যালির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রের আঞ্চলিক প্রকৌশলী সুব্রত কুমার দাস, গীতিকার লিয়াকত হোসেন খোকন, খোদেজা খুরশিদ অপরাজিতা প্রমুখ। র‌্যালিটি বেতার ভবন থেকে শুরু হয়ে আগ্রাবাদস্থ বাদামতলী মোড় হয়ে পুনরায় বেতার ভবনে এসে শেষ হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x