বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রই এদেশের মানুষ মেনে নিবে না

নগর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে শাহাদাত

সোমবার , ৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ at ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
105

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরাতে এবং নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার নীল নকশা বাস্তবায়নে ক্ষমতাসীনরা ষড়যন্ত্র করছে। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের হরতালের কারণে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজের নিরাপত্তা বিষয়ে বিবেচনা নিয়ে আদালতে যাওয়া সম্ভব নয় বলে সময়ের আবেদন জানালে আদালত বিষয়টি আমলে না নিয়ে সরকারের নির্দেশে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেছে। ডা. শাহাদাত আরও বলেন, এতিমদের জন্য আসা একটি টাকাও অপচয় হয়নি, তা ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে। এ মামলা সম্পূর্ণ ভূয়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বেগম খালেদা জিয়াকে জামিন না দিয়ে হয়রানী করার জন্যই প্রতি সপ্তাহে আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। তিনি গতকাল রবিবার বিকালে দলীয় কার্যালয় মাঠে বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরশুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

ডা. শাহাদাত আরও বলেন, বিচারকদের হাতপা বাধা তারা স্বাধীনভাবে বিচার করতে পারছে বলেই বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুন উর রশিদকে সরকার পদন্নোতি দিয়েছে শুধু বেগম জিয়ার মামলার বাদি হওয়ার পুরস্কার হিসেবে। কিন্তু ৫ জানুয়ারির মত নির্বাচন এদেশে আর হতে দেওয়া হবে না। এদেশের জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণআন্দোলন গড়ে তুলবে। দেশনেত্রী বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্রই এদেশের মানুষ মেনে নিবে না। ডা. শাহাদাত আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেওয়ার পর চট্টগ্রামবাসী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে পুরাতন রেলস্টেশনে সংবর্ধনা দিতে চাইলে আমি সংবর্ধনা নিব না বলে জানিয়ে দিয়েছিলাম। ফলে পূর্ব নির্ধারিত সংবর্ধনা বাতিল করে দলীয় কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছিলাম, কিন্তু নেতাকর্মীরা নতুন রেলস্টশন চত্বরে আসলে তাদের উপর কোন কারণ ছাড়াই পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং গ্রেপ্তার করে। আমি নেতাকর্মীদের উপর পুলিশি লাঠি চার্জ ও গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত ৪ জন নেতাকর্মীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সরকারের অনুগত আদালতকে ব্যবহার করে যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন তার ফল শুভ হবেনা। জনসমর্থনহীন সরকার মতা হারানোর ভয়ে ভীত হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভয়? দেখানোর জন্য বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেছে। বেগম জিয়া ও তার দল বিএনপি মামলা হামলা ও গ্রেফতারের ভয়ে ভীত নয়। আগুনে পুড়ে যেমন সোনা খাঁটি হয় ঠিক তেমনি জালেম সরকারের নানামূখি নির্যাতন সহ্য করে আজ সকলে খাটি সৈনিকে পরিনত হয়েছে। আজ কোন অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সদা প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে বিরত রেখে আর একটি প্রহসনের নির্বাচন করতে চায়। তার অংশ হিসাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে বেগম খালোদা জিয়া ও বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন কখনো পূরন হবেনা। দেশের জনগন আজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি বিহীন কোন একতরফা ষড়যন্ত্রের নির্বাচন হতে দিবে না। প্রয়োজনে তারা জীবনের মায়া ত্যাগ করে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে রাজপথে ঝাপিয়ে পড়ে নিজেদের অধিকার নিজেরা আদায় করে নিবে। আর সেই দিন আপনাদের পরিণতি হবে ভয়াবহ এবং পালানোর পথ ও পাবেন না। তাই সময় থাকতে সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে, নির্বাচন কালিন সহায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন দিয়ে দখলকৃত ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব শামসুল আলম, নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, আলহাজ্ব এম.. আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, জয়নাল আবেদীন জিয়া, সবুক্তগীন ছিদ্দিকী মক্কি, আশরাফ চৌধুরী, হারুন জামান, কমিশনার মাহবুবুল আলম, কমিশনার নাজিম উদ্দিন, এড. মফিজুল হক ভূইয়া, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, ইকবাল চৌধুরী, এস.এম. আবুল ফয়েজ, যুগ্ম সম্পাদক এস.এম. সাইফুল আলম, কাজি বেলাল উদ্দিন, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, কমিশনার আবুল হাশেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, বাবু টিংকু দাশ, গাজী মোঃ সিরাজ উল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ সিহাব উদ্দিন আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, কামরুল ইসলাম, হাজী মোঃ তৈয়্যব, সম্পাদকবৃন্দ শামসুল আলম ডক, আলহাজ্ব শামসুল আলম, জি.এম. আইয়ুব খান, মোঃ শাহ আলম, আবু জহুর, জহির আহমদ, হাজী মোঃ বেলাল, ইব্রাহিম, চৌধুরী, শিহাব উদ্দিন মবিন, মোঃ আলী মিঠু, এড. সিরাজুল ইসলাম, কমান্ডার শাহবুদ্দীন, গাজী আইয়ুব, এম.আই চৌধুরী মামুন, হাজী নুরুল আবসার, ডা. এস.এম. সরওয়ার আলম, নুরুল আকবর কাজল, আব্দুন নবী প্রিন্স, মোঃ আলী, জিয়াউদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আব্দুল বাতেন, থানা সভাপতি বৃন্দ ফরিদ আহমদ বিএ, মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, কাউন্সিলর আজিম উদ্দিন, মোশাররফ হোসেন ডেপতী, মোঃ সেকান্দর, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, আব্দুল্লাহ আল হারুন, সহসম্পাদকবৃন্দ এ.কে. খান, আব্দুল হালিম স্বপন, মোঃ সেলিম, রফিকুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী, খোরশেদ আলম কুতুবী, রেহান উদ্দিন প্রধান, এড. নেজাম উদ্দিন খান, সেলিম উদ্দিন শাহিন, বেগম লুৎফুন্নেছা, আজাদ বাঙ্গালি, আরিফ মেহেদী, ইউনুচ চৌধুরী হাকিম প্রমুখ।

আবু মুসা, শফিক আহমদ, আলমগীর নুর, নকিব উদ্দিন ভূইয়া, আব্দুল মতিন, ফয়েজ আহমেদ, আবুল খায়ের মেম্বার, মোস্তাফিজুর রহমান বুলু, আব্দুল হাই, থানার সম্পাদকবৃন্দ আবতাবুর রহমান শাহীন, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, হাজী বাদশা মিয়া, নুর হোসেন আব্দুল কাদের জসিম সহ নগর বিএনপি, থানা ও ওয়ার্ড এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

x