বৃত্তি নিয়ে ভারতে উচ্চশিক্ষা

বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া, টিউশন ফি সম্পূর্ণ ফ্রি ও ফ্রি ল্যাপটপ

রীমা বড়ুয়া

শুক্রবার , ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ at ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
230

এইচএসসি বা ব্যাচেলর ডিগ্রি পাশ করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য যারা বিদেশে যেতে চান তাদের অনেকেই এখন বেছে নিচ্ছেন ভারতকে। ভারতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ইউরোপের উন্নত অন্য দেশগুলোর চেয়ে উচ্চশিক্ষার খরচ কম হওয়ায় এখন তাদের পছন্দের তালিকায় উপরের দিকে উঠে আসছে ভারত। অনেক অভিভাবকই আবার নিজের সন্তানদের রাখতে চান কাছাকাছি। যেকোনো দেশে যাওয়ার পর তাদের বাংলাদেশ অর্থাৎ নিজের দেশে আসার অনেক জটিলতা থাকে কিন্তু ভারতে পড়তে গেলে ছুটির দিনগুলোতে বাড়িতে এসে পরিবারের সাথে সময় কাটানোর জন্য আসা যায় সহজে ও তুলনামূলক অনেক কম সময়ে।
ভারতে পড়তে যাওয়া মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের ভারতীয় সরকার এখন ১০০% বৃত্তির সুবিধা দিচ্ছে এবং এই বৃত্তিটা দিচ্ছে স্টাডি ইন ইন্ডিয়া-এর অধীনে। এই বৃত্তির অধীনে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য থাকছে বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া, টিউশন ফি সম্পূর্ণ ফ্রি ও ফ্রি ল্যাপটপ এবং একটি স্বাস্থ্য বীমা। থাকার জন্য দেয়া হবে টু শেয়ারিং এসি রুম, নন ভেজ খাবার। এখানে যে বিশ্ববিদ্যালয়টির কথা বলা হচ্ছে সেটি অবস্থিত ভারতের পশ্চিম বাংলার খুব কাছাকাছি উড়িষ্যার ভুবনেশ্বরে। আর এটির নাম হলো কেআইআইটি অর্থাৎ কালিঙ্গা ইন্সটিটিউট অভ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি।
বৃত্তির পরিমাণ: বিশ্ববিদ্যালয়টির টিউশন ফি প্রতি বছর ৭ হাজার মার্কিন ডলার এবং সেই হিসাবে একজন শিক্ষার্থীর চার বছরের মোট টিউশন ফি হয় ২৮ হাজার মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা। এখানে ভারত সরকার স্টাডি ইন ইন্ডিয়া-এর অধীনে প্রতি বছর একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে দেবে ৩ হাজার ৫শ’ মার্কিন ডলার এবং বাকি ৩ হাজার ৫শ’ মার্কিন ডলার দেবে এ বিশ্ববিদ্যালয়। একজন শিক্ষার্থী কেআইআইটিতে পড়তে গেলে শতভাগ বৃত্তি নিয়ে যেতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার সুযোগ করে দেয়া যেন তারা উন্নত বিশ্বের মধ্যে নিজেদের একটা অবস্থান তৈরি করে নিতে পারে।
পড়াশোনার মাধ্যম ও অবস্থান: কেআইআইটিতে পড়াশোনার মাধ্যম হচ্ছে ইংরেজি এবং ভারতে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান হচ্ছে অষ্টম এবং বিশ্বে ৩০১তম। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় অর্জিত ডিগ্রি বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক স্বীকৃত। তাছাড়া সেখানে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে যেকোনো শিক্ষার্থী বাংলাদেশে এসে বিসিএস অথবা বাংলাদেশের যেকোনো সরকারি চাকরিতে যোগদান করতে পারবেন। কেআইআইটি থেকে পাশ করে একজন শিক্ষার্থী চাইলে অন্য কোনো দেশে বৃত্তি নিয়ে পড়তে যেতে পারবেন।
যে সকল লেভেলে পড়াশোনা করা যাবে: ভারতে বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করতে যেতে চাইলে কেউ এইচএসসি পাস করে ব্যাচেলর লেভেলে যেতে পারবেন অথবা ব্যাচেলর সম্পন্ন করার পর মাস্টার্স লেভেলে পড়তে যেতে পারবেন। বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান এক্সপ্লোর দীর্ঘদিন ধরে অসংখ্য উচ্চশিক্ষার্থীকে পাঠিয়েছে ভারত সহ বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশে। আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন: এসএসসি ও এইচএসসির মার্কশিট, টেস্টিমোনিয়াল, সার্টিফিকেটের ফটোকপি, জন্মনিবন্ধন অথবা ভোটার আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্টের কপি, এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সহ যোগাযোগ করতে পারেন এক্সপ্লোর, হাসনা টাওয়ার, (নিচ তলা), আগ্রাবাদ বা/এ (আগ্রাবাদ জামে মসজিদের বিপরীতে), চট্টগ্রাম।

ফোন: ০৩১-৭২৪৩২৪, ০১৮১৯১৭৫৬৮৯ (হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমো), ই-মেইল: info@explore.com.bd

ওয়েবসাইট: www.explore.com.bd ফেসবুক: www.facebook.com/exploreconsultancy
এক্সপ্লোর-এর সিইও মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ জানান, তারা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফাইল ওপেনিং চার্জ নেন না এবং সকল কাগজপত্র পরীক্ষা করে বৃত্তি পাওয়ার ব্যাপারে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। আর একজন শিক্ষার্থী যত তাড়াতাড়ি আবেদন করবেন ততোই এগিয়ে থাকবেন বলে জানান তিনি।