বিয়ে করতে না পেরে ধর্ষণ

সহায়তাকারী ৪ বন্ধুসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চকরিয়া প্রতিনিধি

সোমবার , ২২ জুলাই, ২০১৯ at ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
14

চকরিয়ার হারবাং ইউনিয়নের উত্তর হারবাং ইছাছড়ি পাহাড়ি গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনাটি গণধর্ষণ ছিল না বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ। কথিত প্রেমিক ও এলাকার বখাটে যুবক বিয়ের প্রস্তাবে প্রত্যাখাত হয়েই বন্ধুদের সহায়তায় ওই কিশোরীকে সে একাই ধর্ষণ করে। এক্ষেত্রে সহায়কের ভূমিকা পালন করে তার ৪ বন্ধু।
ভিকটিমের মা-বাবা ও আলেয়া বেগম নামে যে নারীর বাড়ির গোয়ালঘরে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে সেই নারীও পুলিশকে একই তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এমনকি ওই নারী বাদী হয়ে থানায় এজাহার দিলে তা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। এ ঘটনায় আসামি করা হয় কথিত প্রেমিক বখাটে যুবক মো. আসিফ (২২) ও তার ৪ বন্ধুকে। ধর্ষক আসিফ একই এলাকার মৃত মো. ছাবেরের ছেলে।
মামলার এজাহারে বাদী আলেয়া বেগম উল্লেখ করেন, গত ১৬ জুলাই আনুমানিক রাত ১১টার দিকে আসিফের নেতৃত্বে ৫ জন মুখোশপরা যুবক তার বাড়ির কাছের ভিকটিমের বাড়ির দরজা ভেঙে ঢুকে সবাইকে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে আর ভিকটিমকে খুঁজতে থাকে। তখন মা-বাবা তাদের জানায়, মেয়ে আলেয়া বেগমের বাড়িতে ঘুমাচ্ছে। এর পর আলেয়া বেগমের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভিকটিমকে জোরপূর্বক পাশের গোয়াল ঘরে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। এ সময় দুই বাড়ির সদস্যরা চিৎকার করলেও আশপাশে কোনো জনবসতি না থাকায় কারও সহায্য মিলেনি।
এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, ধর্ষণের ঘটনা জানার পর সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং ভিকটিমের মা-বাবা এবং যার বাড়িতে ঘটনা ঘটেছে তাদের কাছ থেকে প্রাথমিক বক্তব্য নেওয়া হয়। তারা সবাই জানিয়েছে ভিকটিমকে বখাটে আসিফ বিয়ে করতে না পারায় সে একাই ধর্ষণ করেছে। আর তাকে সহযোগিতা করেছিল স্থানীয় চার বখাটে।
এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ভিকটিমের অভিভাবকদের দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে থানায় মামলা রুজু করা হয়। ধর্ষণে জড়িত প্রধান আসামি আসিফ ও সহায়তাকারী চার অজ্ঞাতকে ধরতে পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে।
এদিকে গতকাল রোববার ধর্ষিতা কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আজ সোমবার ভিকটিমের আদালতে ১২২ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার কথা রয়েছে।

x