বিদ্যুতের দাম আবার বাড়ল

পাইকারি, খুচরা ও সঞ্চালন তিন ক্ষেত্রেই

আজাদী অনলাইন

বৃহস্পতিবার , ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ at ৬:১৫ অপরাহ্ণ
159

পাইকারি, খুচরা ও সঞ্চালন এ তিন ক্ষেত্রেই বিদ্যুতের দাম আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে।

সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে (খুচরা) প্রতি ইউনিটের দাম ৬ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭ টাকা ১৩ পয়সা। ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বাড়ল গড়ে ৩৬ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ।

পাইকারিতে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট গড়ে ৪০ পয়সা বা ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ৪ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে এখন প্রতি ইউনিটের দাম হয়েছে ৫ টাকা ১৭ পয়সা। বিডিনিউজ

এছাড়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন মূল্যহার বা হুইলিং চার্জ প্রতি ইউনিটে শূন্য দশমিক ২৭৮৭ টাকা থেকে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়িয়ে করা হয়েছে শূন্য দশমিক ২৯৩৪ টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে মূল্য বৃদ্ধির এই ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল বলেন, ‘মার্চ থেকে এ দাম কার্যকর হবে।’

সর্বশেষ ২০১৭ সালের নভেম্বরে পাইকারি বিদ্যুতের দাম গড়ে ৩৫ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ায় সরকার যা ওই বছর ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

গত বছরের জুনের শেষে গ্যাসের দাম বাড়ানোর দুই মাসের মাথায় বিদ্যুতের দাম আরেক দফা বাড়ানোর জন্য বিইআরসিতে প্রস্তাব পাঠাতে শুরু করে বিতরণ কোম্পানিগুলো। এসব প্রস্তাবের ওপর গত ২৮ নভেম্বর শুরু হয় গণশুনানি।

ততে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পাইকারিতে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ২৩ দশমিক ২৭ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

তাছাড়া বিতরণকারী বা খুচরা বিক্রেতা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ডেসকো, ডিপিডিসি, ওজোপাডিকো ও নেসকো দাম বাড়ানোর আবেদন করে। যুক্তি হিসেবে পরিচালন ও জনবল বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি স্থাপন ও সরঞ্জামের মূল্য বৃদ্ধির কথা বলা হয় কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে।

তবে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) পক্ষ থেকে বলা হয়, পাইকারিতে দাম না বাড়লে তাদের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।

নিয়ম অনুযায়ী গণশুনানির ৯০ দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত জানাতে হয় বিইআরসিকে। ৯০ দিন পূর্ণ হওয়ার এক সপ্তাহ আগেই দাম বৃদ্ধির এ ঘোষণা এলো।