বন্দর এলাকার যানজট, সড়ক অবকাঠামো ও ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রসঙ্গে

বুধবার , ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ at ৪:৩১ পূর্বাহ্ণ
136

দীর্ঘদিন যাবত বন্দর এলাকায় বারিকবিল্ডিং থেকে ইপিজেড পর্যন্ত বিমান বন্দর এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি মহা-যানজটের কবলে। এর একমাত্র কারণ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পোর্ট কানেকটিং রোড ধরে ধেয়ে আসা হাজার হাজার ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, বড় বড় স্ক্র্যাপ টানার লরী, যার বেশীরভাগ বারিক বিল্ডিং থেকে ৩ নং জেটি গেইট এলাকা ও সল্টগোলা ক্রসিং, এই প্রধান সড়কে রাস্তার এক পাশে বন্দরে প্রবেশ করার জন্য সব সময় দাঁড়িয়ে থাকে। এই মহাজট থেকে বাঁচতে হলে, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সিডিএ কে সর্ব প্রথম একটি কাজ করতে হবে। পোর্ট কানেকটিং রোড নিমতলা অংশ থেকে একটি ফ্লাই ওভার (উত্তর- দক্ষিণ) সরাসরি বন্দরের ভিতর ঢুকাতে হবে। এর একটি অংশ হাতের ডানে পশ্চিম দিকে যাবে। এখন শুনা যাচ্ছে বারিক বিল্ডিং থেকে সল্টগোলা পর্যন্ত এই অংশে রাস্তার উত্তর পাশের সাধারণের বড় বড় বিল্ডিং স্থাপনা, ২টি মসজিদ, আর্মি ক্যাম্প অংশ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর ভবন, কাস্টম হাউস কিছু কিছু অংশ হুকুম দখল করে ফ্ল্যাই ওভার’ নির্মাণ করা হবে। আমি বলি হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ না করে, শত কোটি টাকার মধ্যে সরাসরি বন্দরে প্রবেশ-এর জন্য ফ্লাইওভার নির্মাণ করলে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সরকারের হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। যারা এই পথে ব্যবসা-বাণিজ্য করে, ভাড়া ঘর দিয়ে পরিবার চালাচ্ছে, তারা পথে বসে যাবে। বন্দর ও সিডিএ কর্তৃপক্ষ উল্লেখিত এ প্রস্তাবটি ভেবে দেখলে ভাল হয়।
সেই সাথে রেল কর্তৃপক্ষকে বলবো, ইপিজেড থেকে উত্তরে চৌচালা পর্যন্ত রেলের ৬০ ফুট প্রশস্থ প্রায় ১কিঃমিঃ থেকে বেশী এই জায়গাটি এখন ভূমি দস্যু প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির দখলে। এই মূল্যবান ভূমি উদ্ধার করে রেলের উদ্ধার অভিযান চলমান) আরো ২০ ফুট জায়গা হুকুম দখল করে, এইখানে একটি সড়ক নির্মাণ করলে, বিমান বন্দর ইপিজেড তথা এই এলাকার যানজট অর্ধেক এ নেমে আসবে। সিডিএ চেয়ারম্যান মহোদয়, বন্দর কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান মহোদয় ও রেল মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমূহ বিবেচনা করলে বাধিত হবো।
মাসুদ করিম, বন্দর, চট্টগ্রাম।

x