ফুটপাতে খাবার বিক্রি বন্ধসহ চসিকের ১৯ নির্দেশনা

আজাদী প্রতিবেদন

সোমবার , ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ at ৩:৩০ পূর্বাহ্ণ
678

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে নগরীর হোটেল ও রেস্টুরেন্ট মালিকগণকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পক্ষে ১৯টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এসব নির্দেশনাগুলো ফেস্টুন আকারে প্রতিটি হোটেল-রেস্টুরেন্টে সরবরাহ করবে। এরপর নির্দেশনাগুলো মানা হচ্ছে কিনা তা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মনিটরিং করা হবে।
গতকাল নগরীর জামালখানস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে নগরীর হোটেল-মালিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। ওই সভায় হোটেল মালিকদের সংগঠনের নেতারা অনুরোধ জানিয়েছেন, নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে একবছর সময় দেয়ার জন্য। তবে মেয়র সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সময়ের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান। প্রসঙ্গত, সভায় প্রায় পাঁচ শতাধিক হোটেল-মালিক ও তাদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
সিটি কর্পোরেশনের নির্দেশনাগুলো হচ্ছে- ‘খাদ্যপণ্যে অননুমোদিত রং, ফ্লেভার, কৃত্রিম রং মিশ্রিত মটর ও কেমিক্যাল ব্যবহার না করা। রেফ্রিজারেটরে কাঁচা মাছ-মাংসের সাথে সবজি, অর্ধ-রান্না করা খাবার না করা, রান্না বা খাবার খোলা অবস্থায় সংরক্ষণ না করা, জমানো পানিতে তৈজসপত্র ধৌত না করা, নোংরা-ময়লা পাত্র/তৈজসপত্র ব্যবহার হতে বিরত থাকা। খাদ্যদ্রব্য পরিবেশনকারী গ্লাভস, এপ্রোন, হেডক্যাপ ব্যবহার করা এবং খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনকারী এ্যাপ্রন অথবা ফুলহাতা জামা পরিধান করা। বাসি খাবার পরিবেশন, খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনে পোড়াতেল, মানহীন তেল ব্যবহার না করা। মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য বিক্রয়, প্রদর্শন ও সংরক্ষণ না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ উপকরণ ব্যবহার করে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন হতে বিরত থাকা। খাদ্যপণ্য বিক্রয়কালে মোড়ক/পাত্রের ওজন বাদ দেয়া, খাদ্যদ্রব্য বিক্রিকালে রশিদ প্রদান করা। দর্শনীয় প্রকাশ্য স্থানে খাদ্যদ্রব্যের হালনাগাদ মূল্য-তালিকা প্রদর্শন করা, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি/লাইসেন্স গ্রহণপূর্বক ব্যবসা পরিচালনা করা, হোটেল, রান্নাঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। যেখানে সেখানে হোটেলের ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে রাখা, হোটেল রেস্তোরাঁয় প্রবেশপথে তামাকজাত পণ্যের বিক্রয় ও প্রদর্শনী বন্ধ রাখা, ভোক্তার সাথে সংযত আচরণ বা কথা বলা।

x