পুঁজিবাজারের জন্য একগুচ্ছ প্রণোদনা বাড়ছে করমুক্ত সীমা

শুক্রবার , ১৪ জুন, ২০১৯ at ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ
79

ক্ষুদ্র বিনিযোগকারীদের প্রণোদনা প্রদান এবং পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ব্যক্তিপর্যায়ে করদাতাদের হাতে পাবলিকলি ট্রেডের কোম্পানি হতে আয়ের করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ, সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামে খসড়া বাজেট ঘোষণায় তিনি এ তথ্য জানান। খবর বাংলানিউজের।
বাজেট বক্তব্যে বলা হয়, স্টক ডিভিডেন্ডের পরিবর্তে ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে স্টক ডিভিডেন্ড ওপর ১৫ শতাংশ কর প্রদানের বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বাজেটে তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়কে করমুক্ত রাখার প্রস্তাবও করা হযেছে। একইসঙ্গে তালিকাভুক্ত দেশি ও বিদেশিসহ সব কোম্পানির শেয়ার থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের ওপর দ্বৈত কর পরিহারের ঘোষণা দিয়েছেন। আর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার জন্য বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন।
এবারের বাজেটের আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। এবারের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা।
বাজেটে ঘাটতি দাঁড়াবে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ শতাংশ। ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণ ৬৮ হাজার ১৬ কোটি টাকা, অভ্যন্তরীণ উৎস হতে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যাংক বহির্ভূত খাত থেকে নেওয়া হবে ৩০ হাজার কোটি টাকা।
এবারের বাজেটে বড় আকারের ব্যয় মেটাতে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশের সমান।

x