পটিয়ায় অবৈধ পন্থায় রিফুয়েলিং করে গ্যাস বিক্রি

কারখানা মালিকের জেল জরিমানা

আজাদী প্রতিবেদন

বৃহস্পতিবার , ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
155

বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কারখানা স্থাপন করে সিলিন্ডারে গ্যাস রিফুয়েলিং করে বিক্রয় করে আসছিল আরফাতুল ইসলাম নামে এক কারখানা মালিক। গতকাল বুধবার গোপনে সে সংবাদ পেয়ে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হাসান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানকালে অভিযুক্ত আরফাতুল ইসলামকে একমাসের জেল ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সময় ওই ফিলিং স্টেশন থেকে ১২ কেজি, ৩৫ কেজি এবং ৪৫ কেজি উজনের প্রায় ৩ শত খালি ও ভর্তি সিলিন্ডার এবং বাজারজাতের কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপসহ ৩ জনকে আঁক করা হয়। কারখানা মালিক আরফাতুল ইসলাম চন্দনাইশ উপজেলার হাজির পাড়া এলাকার শাহাবুদ্দীনের পুত্র।
তার সহকর্মী আবদুর রহিম (২২), মোহাম্মদ করিম (৩৫) ও মোহাম্মদ সালেহ (২২) কে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। পরে ওই গ্যাস ফিলিং স্টেশনের মালিক আরাফাতুল ইসলাম শিপু ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে হাজির হয়। কিন্তু বৈধ কোন কাগজপত্র দিতে না পারায় ও বিপজ্জনকভাবে রিফুয়েলিং করার অপরাধে তাকে আটক এবং জেল জরিমানা করে। এরপর আদালত অন্য ৩ জনকে ছেড়ে দেয়।
ইউএনও এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক হাবিবুল হাসান বলেন, ওই রিফুয়েলিং স্টেশনের কোন ধরণের অনুমতি নেই। তারা ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাজটি করছিল। এতে প্রাণহানীর সম্ভাবনা এবং প্রতারণা দুটোই রয়েছে। অনেকগুলি সিলিন্ডার বিপদজনক। তাছাড়া এক বোতল থেকে অন্য বোতলে গ্যাস ভর্তি করার সময় সেখানে গ্যাসের পরিমাণও কম দিয়ে থাকে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় ওই স্টেশনে ১১টি কোম্পানির খালি ও ভর্তি প্রায় ৩ শত সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এসব সিলিন্ডারের মধ্যে ছিল বসুন্ধরা, বিন হাবিব, সুপার, জি গ্যাস, টোাঁল, র্পোঁম্যান, নাভানা, ওমেরা, বিএসবি, বিএম, এসএল কর্ণফুলী নামের কোম্পানির গ্যাস। স্থানীয়রা জানান, এখানে গ্যাস ফিলিং করা হয় বিষয়টি এলাকার লোকজন জানে না। তবে সব সময় গ্যাসের গন্ধ নাকে আসতো এবং কয়েকটি গাড়িতে করে গ্যাসের বোতল আনা নেওয়া করা হতো। বিষয়টি জেনে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

x