নেশার টাকা জোগাড়ে একের পর এক মোবাইল চুরি

আজাদী প্রতিবেদন

বুধবার , ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
31

এই পর্যন্ত অর্ধশতের মতো মোবাইল চুরির চেষ্টা করেছে। সফল হয়েছে বহুবার। এরমধ্যে ধরা পড়ে হাজতেও যান ১০/১২ বার। পরে জামিনে বেরিয়ে আবারো চুরি। চুরির কথা জেনে প্রেমিকাও চলে যায় তাকে ছেড়ে। এরপরও চমেক (চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ) হাসপাতালে গিয়ে মোবাইল চুরির নেশা পিছু ছাড়ে না ১৯ বছর বয়সী জামশেদকে। গতকাল বিকালে আবারো সেই মোবাইল চুরির অভিযোগে ধরা পড়ে চমেক হাসপাতালে। ধৃত ব্যক্তি হাটহাজারী উপজেলার ইছাপুর এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, হাসপাতালের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নুরনাহার নামে এক নারী তার সন্তানকে দুধ খাওয়ানোর সময় জামশেদ ওই মহিলার ব্যাগে থাকা মোবাইলটি চুরির চেষ্টা করে। এ সময় নূরনাহার দেখে ফেলায় পরে ওয়ার্ড বয় এসে তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এদিকে পুলিশ ফাঁড়িতে ওই চোরকে নিয়ে আসলে সেই একই চেহারা, সেই একই অপরাধ বলে বিরক্তি বোধ প্রকাশ করতে দেখা যায় পুলিশ সদস্যদের।
হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল হক ভুঁইয়া আজাদীকে বলেন, এ পর্যন্ত সে মোবাইল চুরি করতে গিয়ে ১০ থেকে ১২ বার আমাদের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। এ সময় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে কারাগারে পাঠালে জামিনে বেরিয়ে যায়। জামিনে বেরিয়ে সে আবারো একই পেশাতে জড়িয়ে পড়ছে।
গতকালের গ্রেপ্তারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা। ঘটনাস্থলে জামশেদকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে আজাদীকে বলেন, নেশার টাকা জোগাড় করতে সে চুরি করে । গাঁজা ও ঘামের নেশার জন্য তার টাকার প্রয়োজন হয়। হাসপাতাল থেকে মোবাইল চুরির পর স্টেশন রোডের চোরাই মোবাইল মার্কেটে বিক্রি করে দেন। বিনিময়ে সে কিছু টাকা পেয়ে থাকে। তবে তার কোন গুরু নেই বলে দাবি করে সে।
এদিকে স্টেশনে যাওয়া আসা করতে করতে সে একসময় ওই এলাকায় এক মেয়ের প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। পরে এক সময় এসে ওই মেয়েটিও তাকে ছেড়ে যায়। জামশেদ বলেন, মেয়েটি গার্মেন্টসে চাকরি করত। স্টেশন রোডে থাকত। পরে আমি নেশা করি জানার পর আমাকে ছেড়ে চলে যায়।

x