ধর্ষণ বন্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান প্রয়োজন

সোমবার , ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ at ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ
25

বাংলাদেশে যে কোন প্রান্তেই পত্রিকা খুললেই দেখবে ধর্ষণের খবর। কেন? বাংলাদেশে এখন ছোট্ট শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত কেউই ধর্ষকের নোংরা থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। ধর্ষক শুধু ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, ধর্ষিতাকে হত্যাও করছে। শুধু যে নারী ও মেয়ে শিশু ধর্ষণ হচ্ছে তা নয় ছেলে শিশুরা বলাৎকারের শিকার হচ্ছে কতিপয় নরপশুর দ্বারা। প্রতিটা ঘটনাই যেন একটার চেয়ে আরেকটা আরও বীভৎস আরও নৃশংস। ধর্ষকরা আইন শৃঙখলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেও তাদের অনেকেই রাজনৈতিক ক্ষমতাবলে কিংবা আইনের ফাঁকফোকর গলে বেরিয়ে যায়। কারোই ফাঁসি হচ্ছে না। ধর্ষকরা সমাজে অবলীলায় ঘুরে বেড়াচ্ছে আর ধর্ষিতা বেছে নিচ্ছে আত্মহত্যার পথ।
পৃথিবীটা চলে যাচ্ছে অসৎ ব্যক্তিদের হাতে। পৃথিবীর নানা দেশে ধর্ষণের নানা মাত্রার শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে দেখা যাচ্ছে যে, যেসব দেশে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড সে সব দেশে ধর্ষণের হার অনেকাংশে কমে গেছে। কিন্তু বাংলাদেশে ধর্ষণের শাস্তি সুনির্দিষ্ট নয় এবং ধর্ষিতাকে হত্যা করা না হলে মৃত্যুদন্ডের বিধান নেই। ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য অপরাধ বন্ধ করতে হলে অবশ্যই ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান চালু করা দরকার। তাই ধর্ষণ বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড করার বিষয়টি বিবেচনার জন্য সরকারের কাছে জোর আবেদন জানাচ্ছি।
রাজীব হোড় (রাজু) যুধিষ্ঠির মহাজন বাড়ি, দক্ষিণ কাট্টলী।

x