দেশের মানুষ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রহর গুণছে

বিভাগীয় সমাবেশের প্রস্তুতি সভায় ডা. শাহাদাত

সোমবার , ১৫ জুলাই, ২০১৯ at ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
19

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, সরকার তাদের অবৈধ ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। বেগম খালেদা জিয়া ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দেশের মানুষ প্রতিনিয়ত দেশনেত্রীর মুক্তির প্রহর গুনছে। বেগম খালেদা জিয়া কারামুক্ত হলেই গণতন্ত্র মুক্তি পাবে। ২০ জুলাই চট্টগ্রামের বিভাগীয় সমাবেশ হবে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির সমাবেশ। এই সমাবেশ সফল করতে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করুন। গতকাল ১৪ জুলাই বিকেলে নাসিমনভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে মহানগর বিএনপির এক প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। এতে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর ও সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান। এতে ডা. শাহাদাত বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ জলাবদ্ধতার মহাদুর্যোগ অতিক্রম করছে। দেশের মানুষ উন্নয়নের জোয়ার দেখে না, মানুষ দেখছে বৃষ্টির পানিতে পুরো চট্টগ্রাম তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। সামান্য বৃষ্টিতেই দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র বন্দর নগরী চট্টগ্রাম জলমগ্ন। বৃষ্টির পানিতে নাগরিক দুর্ভোগ এখন চরমে। জলাবদ্ধতা নিরসনের নামে গত কয়েক বছরে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিলেও দুর্নীতির কারণে তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। এ প্রকল্পগুলোর দৃশ্যমান সুফল চট্টগ্রামবাসী পায়নি। সরকারের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণেই জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাচ্ছে না চট্টগ্রামবাসী। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার দাবি জানান। মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলার কারণে বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে। বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে মারাত্মক অসুস্থ। বেগম জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসা বাধাগ্রস্থ করা সরকারের দুরভিসন্ধিমূলক কাজ। গণতন্ত্র পুন:রুদ্ধার ও খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে চট্টগ্রামের বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার প্রস্তুতি নিতে হবে।
মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অপর নাম বেগম খালেদা জিয়া। গণতন্ত্রের প্রশ্নে তিনি আজীবন আপসহীন। বেগম জিয়াকে কারাবন্দি রেখে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে সরকার। ২০ জুলাই বিভাগীয় সমাবেশে নেতাকর্মীদেরকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে এগিয়ে আসতে হবে। মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, নাজিমুর রহমান, সবুক্তগীণ সিদ্দিকী মক্কী, আশ্রাফ চৌধুরী, সৈয়দ আহমদ, অ্যাড. মফিজুল হক, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, জাহিদুল করিম কচি, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আর. ইউ চৌধুরী শাহীন, আবদুল মান্নান, আহমেদুল আলম রাসেল, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, কাউন্সিলর আবুল হাসেম, মনজুর আলম মঞ্জু, আনোয়ার হোসেন লিপু, শাহেদ বক্স, সামশুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, জি এম আইয়ুব খান, শিহাব উদ্দিন মুবিন, কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মাহমুদ আলম পান্না, এইচ এম রাশেদ খান, এম আই চৌধুরী মামুন, হামিদ হোসেন, নুরুল আকতার, ডা. এস এম সরওয়ার আলম, মোহাম্মদ আলী, জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, মনজুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মোশাররফ হোসেন ডিপ্টি, মো. সালাহ উদ্দিন, আবদুস সাত্তার সেলিম, কাউন্সিল মো. আজম, আবদুল্লাহ আল হারুন, মো. সেকান্দর, সরফরাজ কাদের রাসেল, হানিফ সওদাগর, সালাহ উদ্দিন কায়সার লাবু, আবদুল হালিম স্বপন, মো. সেলিম, মো. ইদ্রিস আলী, খোরশেদ আলম কুতুবী, মো. শাহাজাহান, রেহান উদ্দিন প্রধান, অ্যাড. নেজাম উদ্দিন খান, অ্যাড. সেলিম উদ্দিন শাহীন, ডা. লুসি খান, জেলী চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন বুলু, আবু মুসা, শফিক আহমেদ, আবুল খায়ের মেম্বার, মোস্তাফিজুর রহমান বুলু, আবদুল হাই, সালাহ উদ্দিন লাতু, জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, জাহিদুল হাসান, মনির আহমদ চৌধুরী, মো. বাদশা মিয়া, জসিম উদ্দিন জিয়া, নূর হোসাইন, আবদুল কাদের জসিম, রোকন উদ্দিন মাহমুদ, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী মাঈনু, হাবিবুর রহমান, ইউসুফ সিকদার, আঁখি সুলতানা, মো. নাসির, নগর জাসাস সভাপতি আবদুল মান্নান রানা, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ শিপন, নুরুল হক, আকতার খান, এস এম মফিজ উল্লাহ, নবাব খান, মো. বেলাল, মো. ইলিয়াছ, মো. ইলিয়াছ চৌধুরী, জানে আলম জিকু, কাজী সামশুল আলম, জমির আহমদ, খাজা আলা উদ্দিন, কাসেম মজুমদার, রাসেল পারভেজ সুজন, মনজুর আলম মঞ্জু, আবদুল্লাহ আল ছগির, খন্দকার নুরুল ইসলাম, ফয়েজ আহমদ, এস এম জামাল উদ্দিন জসিম, এম এ মুসা বাবলু, দিদারুর রহমান লাবু, হুমায়ুন কবীর সোহেল, ফারুক আহমদ প্রমুখ।

x