দুর্ভোগে ১৮ লাখ মানুষ

ইকবাল হোসেন

রবিবার , ১৩ অক্টোবর, ২০১৯ at ৩:৩৭ পূর্বাহ্ণ
173

পানির অপর নাম জীবন। অথচ নগরের বাসিন্দা হয়েও চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি পান না নগরীর ৩৮নং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। একইভাবে পানিয় ভোগান্তির শিকার আশেপাশের ৩৭নং উত্তর মধ্যম হালিশহর, ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর, ৪০নং উত্তর পতেঙ্গা এবং ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। শুধু পানি নয়, এসব এলাকায় দিনভর রান্নার চুলোয় গ্যাস থাকে না। বিদ্যুতে বাড়তি বিলের ভোগান্তিসহ ‘ট্রিপ’ যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ এসব এলাকার মানুষ। পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ভোগান্তির বাইরেও যানজট, জলাবদ্ধতা দুর্ভোগের সাথে এসব এলাকার বাসিন্দারা বঞ্চিত স্বাস্থ্যসেবা থেকেও। সবমিলিয়ে ৬ নাগরিক দুর্ভোগে এখানকার ৫ ওয়ার্ডের প্রায় ১৮ লাখ বাসিন্দা। নাগরিক সমস্যা নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে স্থানীয় এক মতবিনিময় সভায় উপস্থিত বাসিন্দাদের বক্তব্যে উঠে আসে দুর্ভোগের এ চিত্র। খোদ সরকারি দলের নেতারাই দুর্ভোগের এ চিত্র তুলে ধরেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের বৃহৎ দুটি রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা (এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন-ইপিজেড) রয়েছে এখানে। সিইপিজেড ও কর্ণফুলী ইপিজেড দুটিতে অন্তত চার লক্ষাধিক শ্রমিক রয়েছে। যার অর্ধেক নারী। অথচ নারীদের জন্য কোন প্রসূতিকেন্দ্র নেই এখানে। ৩৭-৪১নং ওয়ার্ডগুলো পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর, হালিশহর চারটি থানায় এলাকা হলেও এখানে নেই কোন সরকারি মাধ্যমিক স্কুল, সরকারি কলেজ, সরকারি হাসপাতাল। বন্দরকেন্দ্রিক অফডক থাকার কারণে দিনভর যানজট লেগে থাকে বেশিরভাগ এলাকায়। বিশেষ করে বিমানবন্দর সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক সড়ক থাকে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, টেইলরের দখলে। সল্টগোলা, এয়ারপোর্ট সড়ক, কাটগড় এলাকার বেশ কয়েকটি পয়েন্টে রাস্তার উপর দাঁড় করিয়ে রাখা হয় এসব পণ্যবাহী গাড়ি। আবার অবৈধ টমটম গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবৈধ দখলের সাথে রয়েছে জুয়া আর মাদকের বিস্তারও।
গতকাল শনিবার দুপুরে নগরীর বন্দর এলাকাস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে স্থানীয় সমস্যা নিয়ে সেবা সংস্থার সাথে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনের সভাপতিত্বে ও ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী জহুর আহমদ কোম্পানির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, বিশেষ অতিথি ছিলেন সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ। এতে এলাকার নানান সমস্যা নিয়ে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর, থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারা বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে উত্থাপন করা হয় নানা অভিযোগ।
এর প্রেক্ষিতে মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে অনেকে প্রচণ্ডভাবে দুর্ভোগের মুখোমুখি হচ্ছেন। উনাদের সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। ভোগান্তি সহ্য করতে করতে এখন মানুষের মধ্যে এক ধরণের অসহিঞ্চুতা তৈরি হয়েছে। এটাকে পুঁজি করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা এটাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।
অনুষ্ঠানে নগরপিতা বলেন, এই নগরটা পরিকল্পিত নগর নয়। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছিল না। মাস্টারপ্লানও নাই। এখন সিডিএ মাস্টারপ্লান করার চেষ্টা করছে। এই মাস্টারপ্লান যদি অনুমোদন হয়, সে অনুযায়ী প্রত্যেক সেবা সংস্থা তাদের প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে তখন সমন্বিত উন্নয়ন হবে। এখন সেবা সংস্থাগুলোও সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থা থেকে কোন অনুমোদন না নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এতে সার্ভিস লাইনগুলো এলোমেলো হয়ে পড়ছে। এতে জটিলতা তৈরি করছে।
জলাবদ্ধতার জন্য নগরবাসীও সমানভাবে দায়ী উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ‘পুকুর, নালা, খাল ভরাট হয়ে গেছে। আগে ৭১টি খাল ছিল, এখন অস্থিত্ব আছে ৩৮টি খালের। ৫৮টি খালকে চিহ্নিত করা গেলেও এখনো বিলীন হয়ে গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখন বৃষ্টিপাতও বেড়েছে। অনেকে রাস্তার জায়গাও দখল করছে। যারা এসব দখল করেছেন, তারা অপরাধ করেছেন, যারা দেখে বাধা দেয়নি তারাও সমান অপরাধ করেছেন।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এক লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্প এই শহরে দিয়েছেন। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে ভোগান্তিটাও বাস্তবতা। এখন নগরবাসী যে যন্ত্রণা ভোগ করছেন, এটা উন্নয়নের প্রসব বেদনা। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও এই উন্নয়ন। একটি নিরাপদ, বাসযোগ্য ও টেকশই নগর আমরা তাদের জন্য তৈরি করবো।
অনুষ্ঠানে জহিরুল আলম দোভাষ বলেন, মেয়র ও সিডিএ চেয়ারম্যানের মধ্যে তফাৎ রয়েছে। মেয়র জনপ্রতিনিধি। সিডিএ চেয়ারম্যানের দায়িত্বরা একটি দাপ্তরিক পদ। যে কারণে যেকোন নাগরিক সমস্যা সিডিএ সমাধান করতে পারে না। তবে নাগরিকদের সমস্যাগুলো সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করবো। মহেশখালের স্লুইচ গেইটের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিজ কাঁধে নিয়েছেন। চট্টগ্রামে রেকর্ডসংখ্যক বরাদ্ধ দিয়েছেন। শুধুমাত্র সিডিএ’র মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পাদিত হচ্ছে। আউটার রিং রোডের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেড এঙপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজও শুরু হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসমূহ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে জনগনের সাময়িক ভোগান্তি হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে খোরশেদ আলম সুজন বলেন, আজকের কর্মসূচিতে ডিসি (ট্রাফিক) এর উপস্থিতি প্রয়োজন ছিল। কারণ যানজট নিরসনে উনার ভূমিকাই অগ্রগণ্য। নীতিমালায় বন্দরের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে আইসিডি (অফডক) হবে না। তাহলে এসব অনুমতি পেল কিভাবে? আমাদের বাপদাদার জায়গা জনগণের ৭০ ভাগ জায়গা বন্দর ও রেল দখল করেছে।
৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান বলেন, এ ওয়ার্ডে সিটি কর্পোরেশনের ময়লার ভাগাড় রয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার ময়লাবাহী ট্রাক, ড্রাম ট্রাক চলাচল করছে। ফলে প্রধানতম সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাছাড়া ময়লার ভাগাড়ের ফলে নাগরিক স্বাস্থ্যও হুমকির মুখে রয়েছে।
ইপিজেড থানা মহিলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক শারমিন সুলতানা বলেন, এই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা ছাড়াও দুই লক্ষাধিক কর্মজীবী নারী রয়েছে। কিন্তু প্রসূতি মা’দের চিকিৎসার সুবিধার্থে কোন হাসপাতাল নেই। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপের পাশাপাশি যানজটের কারণে প্রসূতিদের হাসপাতালে নিতেও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এজন্য শিশুদের ডে-কেয়ার সেন্টারসহ একটি মাতৃসদন ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা জরুরি।
৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান মুরাদ অভিযোগের দীর্ঘ তালিকা উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, এখানকার বাসাবাড়ির চুলোতে দিনের বেলায় গ্যাস থাকে না। রাতে সবাই ঘুমোতে গেলে চুলোতে গ্যাস আসে। মহেশখালে একটি স্লুইচ গেইট নির্মিত হচ্ছে। এখানে আরেকটি স্লুইচ গেইট না হলে ৩৮ ও ৩৯নং ওয়ার্ড জলজট অধ্যুষিত হবে। কোন কারণ ছাড়াই বেগমজান স্কুলের সামনের সেতুটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। আবার ওয়াসার পানির সমস্যা রয়েছে পুরো এলাকা জুড়ে।
এ আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, এখানে আগে যারা রিকশা চালাতো তারা এখন বেকার। কাটগড় সড়ক, কলসী দীঘির পাড়সহ পুরো এলাকায় হাজার হাজার টম টম। এসব টম টাম এখন বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব টম টাম লাইনে এন্ট্রি করার জন্য ৩০ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। আবার প্রতিদিন এক থেকে দুইশ টাকা নিচ্ছে। আমাদের দলের অনেকে এসবের সাথে জড়িত। হিসেব করে দেখা গেছে, টমটমের এই চাঁদা বাণিজ্য ক্যাসিনোকে হার মানিয়েছে। একইভাবে কলসীর দীঘির পাড়ের পরিত্যক্ত সরকারি জায়গা দখল করে ওখানে জুয়া, ফিতা খেলা, তাসখেলা বসানো হয়েছে। ওটাও ক্যাসিনোর চেয়ে বেশি। এসবের সাথে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে।
৩৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী শফিউল আলম টিসিবি কার্যালয়ের অভ্যন্তরে খালি জায়গায় অন্ততঃ ৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে বলেন, পতেঙ্গা এলাকায় বড় বড় স্থাপনা রয়েছে। এখানে ট্রেইলার চলাচলের কারণে যানজট লেগেই থাকে। সিমেন্ট ক্রসিং সংলগ্ন রেললাইনটি অবৈধ দখলের কারণে ক্রমেই সরু হয়ে যাচ্ছে। এখানে অবৈধ দখলমুক্ত করে এটিকে বিকল্প সড়ক করার প্রস্তাব দেন। বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে তিনি বলেন, ঘরে ঘরে গিয়ে রিডিং নিতে হবে। গড় বিলের অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে হবে। জনগণ ক্ষেপে যাচ্ছে। বিক্ষুব্ধ মানুষ যেকোন সময় পিডিবিতে আক্রমণ করবে।
এ আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, গণপরিবহনগুলো যাত্রীদের ইপিজেড এলাকায় নামিয়ে দেয়। আবার উঠানামা ১০টাকা করে যাত্রী নেয়। উঠানামা ১০টাকা বন্ধ করতে হবে।
৪০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চৌধুরী আজাদ বলেন, বিমান বাহিনী এরিয়ার মধ্যে একটি স্লুইচ গেইট রয়েছে। পলি জমে স্লুইচ গেইটটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। যানজটের কারণে পতেঙ্গা থেকে মেডিকেলে যেতে চার ঘন্টা লাগে। তিনি ৭নং এবং ৯নং খালটি অবৈধ দখলমুক্ত করে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
৪১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ চৌধুরী বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চারটি কালভার্ট রয়েছে। চলমান নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ’র মেগাপ্রকল্পে ওই চারটি কালভার্ট চলতি শুষ্কমৌসুমে সম্পন্ন করা না হলে আগামী বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকার সব পানি জমে বিমানবন্দর অকেজো হয়ে যাবে। তিনি বলেন, এখানে যেসব টম টম চলে এসবের ব্যাটারি চার্জের জন্য পিডিবির মিটারে সঠিক রিডিং নেওয়া হয় না। যার প্রভাব পড়ে অন্য গ্রাহকের উপর। এখানে সুপেয় পানির কোন ব্যবস্থা নেই। রাস্তার উপর কাভার্ডভ্যানগুলো দাঁড়িয়ে থাকে। তাছাড়া আউটার রিং রোডে ৬শ দোকানদারকে পুনর্বাসন করার কথা থাকলেও তাদের পুনর্বাসন করা হয়নি। তাছাড়া এতো বড় একটা প্রকল্প হলেও সৈকত এলাকায় একটি মসজিদ করা হয়নি। এতে দূর দূরান্ত থেকে আসা লোকজনের নামাজ আদায়ে সমস্যা হচ্ছে। তাছাড়া এখানে বহুতল ভবন করার কোন প্লান সিডিএ অনুমোদন দিচ্ছে না। এতে লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এসময় এজাহার মিয়া নামের এক ক্ষুব্ধ ব্যক্তি বলেন, বন্দর-ইপিজেডে আমাদের জায়গা আমাদের জমি। কিন্তু আমাদের চাকুরি হয় না। এ সময় নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, বন্দর বঙ্গবন্ধুর নাম দিয়ে একটি হাসপাতাল করার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু ওই জায়গা এখন কন্টেনাই ইয়ার্ড বানিয়েছে। হাসপাতালটি না করে বন্দর কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধুর নামের সাথে প্রতারণা করেছে। এসময় ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, বারিক বিল্ডিং হতে বড় ডায়ার পাইপ বসানো হচ্ছে। লাইনটি কাস্টমস হয়ে পতেঙ্গা এলাকায় যাবে। বন্দর-হালিশহর এলাকায় প্রতিদিন ৬ কোটি লিটার পানির প্রয়োজন হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ৫ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, আগের লাইনটি প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো। বেশি চাপে পাইপগুলো লিক হয়ে যাচ্ছে। পুরো এলাকায় পানি পৌঁছানোর জন্য ২৫০ কি.মি. নতুন পাইপ লাইন বসাতে হবে। এরপর প্রত্যেক বাসা বাড়ির টেপে পানি যাবে।

পিডিবি নিউমুরিং বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ মফিজুর রহমান বলেন, এখন বিদ্যুতের লোডশেডিং নেই। মেরামতজনিত কারণে কিছু কিছু এলাকার গ্রাহকরা সাময়িক বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকেন। প্রিপেইড মিটার প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। পুরো এলাকা প্রি-পেইডের আওতায় আসলে গড় বিলের ভোগান্তি থাকবে না। তিনি তার এলাকায় অভিযোগের জন্য ‘০১৯২৬৪৩৯২৮২’ নম্বরে জানানোর জন্য গ্রাহকদের অনুরোধ করেন।

x