দুর্নীতি প্রসংগে দুই ধরনের বিচার

সোমবার , ৫ আগস্ট, ২০১৯ at ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ
31

সরকারি বিভিন্ন খাতের সীমাহীন দুর্নীতি বাংলাদেশের সব উন্নয়ন ও অর্জনকে ম্লান ও বিনষ্ট করে দিচ্ছে। সরকার একদিকে উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। অন্যদিকে দুর্নীতিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। যা উন্নয়নের শর্তের পরিপন্থী। উন্নয়ন ও দুর্নীতি এক সংগে চলতে থাকলে উন্নয়নের সুফল সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছবে না। আবার টেকসই উন্নয়নও হবে না। উদাহরণ স্বরূপ বলতে হয়, সাধারণ একজন মানুষ যখন চুরি বা অন্যায় করে তখন তাকে বিচার আচার, এমনকি জেল জরিমানার সম্মুখীন হতে হয়। অথচ প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা যখন এ ধরনের কর্মকান্ডে লিপ্ত হন তখন চাকরি তো যায়ই না এমনকি বিচারের সম্মুখীনও হতে হয় না। জবাবদিহি না থাকা বা বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি চালু থাকলে সমাজের অন্য দশজন মানুষও উৎসাহিত হবে দুর্নীতি করতে। বাংলাদেশের আর্থিক খাত অত্যন্ত সুশৃঙ্খল একটি খাত ছিল। গত পাঁচ/ছয় বছরে নষ্ট হয়ে গেছে। তবুও কর্তৃপক্ষ তথা সরকারের টনক নড়ছে না। এ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে ব্যক্তি বা দলীয় পরিচয়কে বড় করে না দেখে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের সম্মুখীন করতে হবে এবং উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।
এম. এ. গফুর, বলুয়ার দীঘির দক্ষিণ-পশ্চিম পাড়, কোরবানীগঞ্জ, চট্টগ্রাম।

x