দখল দূষণে বিলুপ্তির পথে খাল ও নদী

মো: ছফওয়ানুল করিম : পেকুয়া

সোমবার , ২ মার্চ, ২০২০ at ১০:২০ পূর্বাহ্ণ
105

নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ। এ দেশের ওপর দিয়ে মাকড়শার জালের মতো বয়ে চলেছে অসংখ্য নদ-নদী। নদীগুলোর সাথে এদেশের মানুষের সম্পর্কটা প্রাণের। কিন্তু নদী শাসন, দূষণ ও অবৈধ দখলদারিত্বের কালো থাবায় নদীগুলো হয়ে পড়েছে সঙ্কুচিত। যার ফলে এক সময়ের স্রোতস্বিনীর উচ্ছলতা ও অফুরন্ত প্রবাহমানতায় অবাধ ছুটে চলা যৌবনা নদীগুলো আজ মৃত্যুপথযাত্রী। তারপরও থেমে নেই নদীর উপর নির্মম ব্যভিচার, বরং বেড়ে চলেছে দিনের পর দিন। দেশের নদীগুলোর এ চরম দুরবস্থা ও বোবাকান্না আমাদের কর্তৃপক্ষের কানে সহজে পৌঁছায়না। তথ্যসূত্র বলছে শুধুমাত্র বাংলাদেশে আনুমানিক ৮০ জন মানুষ পানি দূষণ সম্পর্কিত অসুস্থতা নিয়ে প্রতিদিনই মারা যায়। আর সারা বিশ্বে পানি দূষণ সংক্রান্ত রোগে মৃত্যু হয় ১৪০০ জনের।
এ অবস্থা থেকে কোন দিক দিয়েই পিছিয়ে নেই কঙবাজারের পেকুয়া উপজেলা। পেকুয়া একটি উপকূলীয় এলাকা। বলতে গেলে এ উপজেলার চারদিকেই খাল ও নদী দ্বারা বেষ্টিত। তাছাড়া ৭ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলার মানচিত্র চিরে বয়ে গেছে অসংখ্য নদ-নদী ও খাল। পেকুয়ার উত্তরে ছনুয়া খাল, পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেল, দক্ষিণে মাতামহুরী নদী, আর পূর্বে পেকুয়া পহরচাঁদা সীমান্ত খাল। স্থানীয় প্রভাবশালী কর্তৃক নদীর উৎপত্তিস্থলে প্রতিবন্ধকতা, নদীর দুইপাশে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ, বর্জ্য ও পয়ো:নিষ্কাশনের জন্য নদীকে ব্যবহার সহ দখল দূষণে এখন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে পেকুয়ার নদী ও খালগুলো।
পেকুয়া সদর ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ খালগুলোর মধ্যে ফাঁড়ি খাল, বাঘগুজারা খাল, বড় খাল, হরিণাফাঁড়ি খাল, ভোলা খাল, (ভোলা খাল বারবাকিয়ার উপর দিয়ে বয়ে রাজাখালী ছনুয়া খালে পড়েছে), কাটাফাঁড়ি খাল, রূপাই খাল-২, গোঁয়াখালী খাল অন্যতম। উজানটিয়া ইউনিয়নের কোহেলিয়া নদী, উজানটিয়া খাল, উজানটিয়া বদ্ধ জল মহল অন্যতম। তবে উজানটিয়া ইউনিয়নের বেশ বড় অংশ জুড়ে বেষ্টনি দিয়ে আছে মাতামহুরী নদী। একইভাবে রাজাখালী ইউনিয়নের পঁচাকুরুলিয়া খাল, বামুলা খাল, সরকার খাল ও প্রেসিডেন্ট খাল অন্যতম। পেকুয়ার উত্তরাংশ অর্থাৎ রাজাখালী ইউনিয়নের বেশ বড় অংশজুড়ে ছনুয়া খাল দ্বারা বেষ্টিত। এ খালটি বাঁশখালী উপজেলা থেকে পেকুয়া উপজেলাকে আলাদা করেছে। আর মগনামা ইউনিয়নের পুরো অংশজুড়েই রয়েছে বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেল। এ চ্যানেল থেকে বিভিন্ন শাখা নদী মগনামা ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে গেছে। তাছাড়া রূপাই খাল হচ্ছে এ ইউনিয়নের একটি বিখ্যাত বদ্ধ জলমহল। যেটি ইতিমধ্যেই স্থানীয় প্রভাবশালীরা দখল উৎসবে মেতে উঠেছে। অপরদিকে টইটং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি ছড়া ও পঁচাকুরুলিয়া খাল অন্যতম। এ ইউনিয়নে অসংখ্য ছোটোখাটো ছরা পাহাড় থেকে নেমে ইউনিয়নের পেট চিরে বয়ে মিশে গেছে নদীতে।
অন্যতম খালগুলোর মধ্যে ফাঁড়ি খাল পেকুয়া সদর ইউনিয়ন থেকে বারবাকিয়া ও শিলখালী ইউনিয়নকে আলাদা করেছে। ভোলা খাল এবং কাটাফাঁড়ি খাল মগনামা ও উজানটিয়া ইউনিয়ন থেকে পেকুয়া সদর ইউনিয়নকে আলাদা করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পেকুয়ার এসব গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো প্রশাসনের চোখের সামনেই গিলে খাচ্ছে দখলদাররা। নদী দখল করে বড় বড় স্থাপনা নির্মাণ করলেও এসব দেখার যেন সময় নেই উপজেলা প্রশাসনের। পাউবো এবং বন বিভাগ থেকে হাজার হাজার একর নদীর চর লীজ নিয়ে ইতিমধ্যেই মৎস্য প্রজেক্ট, লবণমাঠ ও স্থাপনা নির্মাণ করেছে প্রভাবশালীরা। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাসি (সরকারি স্লুইচ গেইট) বা গুদি লীজ নিয়ে পানি চলাচলের মুখ বন্ধ করে মাছ ধরার ফলে নদীগুলো মরে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। পাহাড়ি এলাকার ছড়াগুলো বালু মহালের জন্য লীজ দিয়ে পরিবেশের বারটা বাজাচ্ছে খোদ উপজেলা প্রশাসনই। মাতামহুরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করছেন রাজনৈতিক রাঘব বোয়ালরা। এতে করে নদীর নাব্যতা হারাচ্ছে দিন দিন। ফলে বেড়ীবাঁধ ভেঙে বর্ষা মৌসুমে বিলীন হয় গ্রামের পর গ্রাম। তাছাড়া পেকুয়ায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় সব বর্জ্য, ময়লা আবর্জনা ফেলা হয় নদীতে। এমনকি পেকুয়া উপজেলা সদরের ২০০ গজের মধ্যে অবস্থিত পশ্চিম বাইম্যাখালী নামের একটি গ্রামেই রয়েছে শতাধিক খোলা পায়খানা। অথচ সেদিকে কোন দৃষ্টি নেই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের। এতে করে দ্রুত পানি ও পরিবেশ দূষণের মাত্রা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে পানি দূষণ সংক্রান্ত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে পেকুয়ার নদীপাড়ের মানুষগুলো।
সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা লক্ষ করা যায়, পেকুয়া উপজেলা সদরের পেট চিরে বয়ে যাওয়া ‘কহলখালী খাল’টিতে। এ খালটির বিশেষত্ব হচ্ছে খালটি উপজেলা সদর দপ্তরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে। এবং এ খালের উপর দিয়েই উপজেলা সদর দপ্তরে প্রবেশ করতে হয়। দক্ষিণে মাতামহুরী খাল থেকে উৎপত্তি হয়ে বড়খাল হয়ে খালটি উপজেলা সদর দপ্তরের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়ে যুক্ত হয় ভোলা খালের সাথে। একসময়কার স্রোতস্বীনি এ খালটিতে এখন আর জোয়ার-ভাটা নেই। নদীর তলানীতে কেবল দূষিত কালো পানি আর বর্জ্যের ছড়াছড়ি। প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি দেখলে এখন যে কারো মনে হবে একটি ‘সাপ’ পেকুয়ার মানচিত্রের উপর দিয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে এবং সেটি পচে গলে দুর্গন্ধ বেরুচ্ছে। অথচ এটি সংস্কার বা খননে কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ নেই। এতে করে পেকুয়ার পরিবেশের মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রতিদিন এ খালটি পার হয়ে পেকুয়ার বিভিন্ন স্থানে গেলেও এ খালের দুর্দশা যেন তার চোখে পড়ছেই না। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, খালটির সিকদার পাড়া অংশ থেকে পেকুয়া কবির আহমদ চৌধুরী বাজার পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে প্রায় ভরাট হয়ে গেছে এবং বর্জ্যে পূর্ণ হয়ে খালের অস্তিত্ব বিলীন হতে বসেছে। তাছাড়া পেকুয়া বাজার অংশে খালের দুইপাশে দখল হয়ে যাওয়ায় খালটি এখন নালায় পরিণত হয়েছে। নালা হিসেবে যেটুকু আছে সেটুকুও বর্জ্যে পরিপূর্ণ হয়ে থাকতে দেখা যায়। অপরদিকে ভোলা খাল ও কাটাফাঁড়ি খালের দুই পাশে স্থানীয় লোকজন নদীর পানির প্রবাহ ঠিক রাখা ও দখল রোধের দায়িত্বে থাকা পাউবোর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাসাজশ করে হাজার হাজার একর চর লীজ নিয়ে তাতে লবণমাঠ ও মৎস্য প্রজেক্ট তৈরী করেছে। এতে করে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় অফুরন্ত প্রবাহমানতায় অবাধ ছুটে চলা যৌবনা নদীগুলো আজ মৃত্যুপথযাত্রী।
পেকুয়া সিকদার পাড়া এলাকার বাসিন্দা জালাল আহমদ, মিয়া পাড়ার অধিবাসী আনিসুর রহমান, পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন জানান, “পেকুয়া উপজেলা সদরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া প্রাচীন নদী কহলখালী খালটি এখন অস্তিত্ব সংকটের মুখে। মাতামুহুরী নদীর সাথে খালের সংযোগস্থলে প্রভাবশালী কর্তৃক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ঠি, দীর্ঘদিন ধরে খনন না করা, অবৈধভাবে দখল করে অপরিকল্পিতভাবে নদীর দুই পাড়ে স্থাপনা নির্মাণ ও বর্জ্য ফেলে নদীটিকে একপ্রকার গলাটিপেই হত্যা করা হচ্ছে।”
নদী রক্ষা আন্দোলন জাতীয় কমিটি ‘নোঙরে’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক এফএম সুমন জানান, “এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী দখলদাররা যেভাবে প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন নদী দখল করে নিচ্ছে তাতে কিছুদিন পরে পেকুয়ায় আদৌ কোন নদীর অস্তিত্ব থাকবে কিনা সেটি আমরা আশংকা প্রকাশ করছি। সরকারের উচিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নদীগুলো রক্ষায় এখনি এগিয়ে আসা এবং অবৈধ দখলদারদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া।”
পেকুয়া পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এডভোকেট মীর মোশারফ হোসেন টিটু জানান, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নদী একটি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাছাড়া কৃষি প্রধান উপকূলীয় এলাকা পেকুয়ার জন্য নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে মানচিত্রের নদীগুলো দখলদাররা যেভাবে খেয়ে ফেলছে তাতে ভবিষ্যতে পরিবেশ বিনষ্টের পাশাপাশি পানির অভাবে স্থানীয় চাষাবাদযোগ্য জমিতে চাষাবাদ করাও দুরূহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। ফলে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি এলাকায় খাদ্য উৎপাদনে ঘাটতি সহ নানা সমস্যার সম্মুখিন হতে হবে পেকুয়াবাসিকেই। ”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ জানান, “কয়েকবছর আগে পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে পেকুয়া সদরের পেট চিরে বয়ে যাওয়া ‘কহলখালী খাল’ রক্ষায় খনন সহ অবৈধ দখলদার মুক্ত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আবারো দখলদারদের উৎপাতে নদীটি দখল দূষণে যে লাউ সেই কদুই হয়ে গেল।” এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈকা শাহাদাতের সাথে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে তার মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে বক্তব্য চাওয়া হলেও তিনি কোন ধরনের উত্তর দেননি। সরকারি বিভিন্ন সূত্রের সাথে কথা বলে জানা যায়, নদীর পানির প্রবাহ ঠিক রাখা ও দখল রোধের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পানি উন্নয়ন বোর্ডকে। আবার দূষণ ঠেকানোর দায়িত্ব পরিবেশ অধিদপ্তরের। এভাবে সরকারের ২৭ টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নদী রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত আছে। এছাড়াও দখল ও পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে আছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। ময়লা-আবর্জনার কারণে একদিকে যেমন জলজ প্রাণি হুমকিতে পড়ছে। অন্যদিকে নদীগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে।’
সূত্র জানায়, তরল বর্জ্য পদার্থ (যেমন- মূত্র, বিভিন্ন প্রকার কীটনাশক, এসিড, পারদ ইত্যাদি) কঠিন বর্জ্য পদার্থ (যেমন- বিভিন্ন প্রকার লবণ, ধাতব পদার্থ, বিভিন্ন প্রকার সার ইত্যাদি)। পচনশীল বর্জ্য (যেমন- উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃতদেহ, প্রাণীর মলমূত্র ইত্যাদি) অপচনশীল বর্জ্য, প্রাকৃতিক দূষণ ও মনুষ্যসৃষ্ট দূষণের কারণেই পানি দূষিত হয়।
তথ্যসূত্র আরো জানায়, ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারী নদীর দখল-দূষণ একটি ফৌজদারী অপরাধ হিসেবে গন্য করার পরামর্শ দিয়ে দেশের সব নদীকে ‘লিগ্যাল পারসন’ ঘোষণা করে এক রিটের রায় ঘোষণা করেছিলেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ। পর্যবেক্ষণে তারা জানিয়েছিলেন, নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ। কিন্তু দখল-দূষণের কারণে দেশের অধিকাংশ নদ-নদীর অস্থিত্বই আজ হুমকির মুখে। ফলে, বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করেই নদী দখল-দূষণকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া, নদী হত্যা আত্মহত্যার নামান্তর বলেও মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। এতকিছুর পরও সরকারি দপ্তরগুলোর দায়িত্বহীনতা ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে সরকারের সব আইন ও পদক্ষেপ বারবার ম্লান হয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, নদী রক্ষায় সরকারের নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধের সব ব্যবস্থা নিতে হবে পরিবেশ অধিদপ্তরকে। আর জলাভূমির লীজ বন্ধ করতে হবে ভূমি মন্ত্রণালয়কে। সেই সঙ্গে জলাভূমি রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে মৎস্য অধিদপ্তরকে। তাছাড়া নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ, উজান থেকে নেমে আসা পলি। নদীগুলোতে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের (গভীর নদী খনন) ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই সঙ্গে প্রতিবছর সেগুলোর ব্যবস্থাপনার কথাও বলছেন তাঁরা।