দক্ষিণ কাট্টলীতে জলাশয়গুলো ভরাট বন্ধ হোক

শনিবার , ১৬ নভেম্বর, ২০১৯ at ৮:১২ পূর্বাহ্ণ
17

চিঠিপত্রের মাধ্যমে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনিয়মের বিষয়ে জানালেও কোন প্রতিকার হয় না। তবুও আমরা কলম দিয়ে লিখে যাচ্ছি। কারণ এক ফুল দিয়ে বাগানের সৌন্দর্য্য বাড়ে না। পুকুর বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ধানের জমি শেষ হয়ে যাচ্ছে। বড় বড় গাছ কেটে উজাড় করে ফেলছে। পাখির কোলাহল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাও একমাত্র জলাশয়গুলো ভরাট হওয়ার ফলে। দক্ষিণ কাট্টলী গ্রামে হঠাৎ করে এক শ্রেণির মানুষ কোটি কোটি টাকা কামিয়ে যাচ্ছে। সৎ মানুষ ডাল-ভাত খেতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। স্বাধীন বাংলাদেশ আজ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে। কেউ খুন করলে তার দাম হয়ে যায় ৫০ লক্ষ। ৫০ লক্ষ টাকা দিলে আইন তাকে স্পর্শ করে না। আর পুকুর তো সামান্য। টাকা দিলে রাতে রাতে আপনাআপনি ভরাট হয়ে যাবে। এত সবকিছুতে ইতিহাস রেকর্ড হচ্ছে। ইতিহাস বলে দিবে ভবিষ্যৎ কী হবে? পুকুর থাকবে না, নদী শুকিয়ে যাবে, বন্যা হবে, অনেক মানুষ মারা যাবে। তাও পানির অভাবে। ১৬ কোটি মানুষের জন্য ওয়াসা কতটুকু পানি ধারণ করতে পারবে। পরিশেষে বলতে চাই পুকুর ভরাট বন্ধ করতে হবে। তাও আইন দিয়ে।
– রাজীব হোড় (রাজু), যুধিষ্ঠির মহাজন বাড়ি,
দক্ষিণ কাট্টলী, চট্টগ্রাম।

x