ত্রিশ ঘণ্টা পর ভেসে উঠল লাশ

পুলিশ দেখে শঙ্খ নদীতে লাফ

চন্দনাইশ প্রতিনিধি

মঙ্গলবার , ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ at ৫:০২ অপরাহ্ণ
251

পুলিশ দেখে শঙ্খনদীতে লাফ দিয়ে নিখোঁজ হওয়া সাবের আহমদের (৫৫) লাশ একই স্থানে ভেসে উঠল ৩০ ঘণ্টা পর।

গত ২ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তার লাশ নদীতে ভেসে উঠার পর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

সাবের আহমদ গত ১ ডিসেম্বর রাতে দোহাজারী বার্মা কলোনি এলাকায় পুলিশি অভিযানের সময় শঙ্খ নদীতে লাফ দেয়।

খবর পেয়ে পরের দিন ২ ডিসেম্বর দুপুর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একদল ডুবুরি ওইদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শঙ্খ নদীতে তল্লাশি চালিয়ে তাকে খুঁজে পায়নি। ফলে তারা সন্ধ্যার পর পর অভিযান সমাপ্ত করে ফিরে যায়।

উল্লেখ্য, দোহাজারী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ দল নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ১ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত দোহাজারী পৌরসভার বার্মা কলোনিতে আসামী গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালায়।

এসময় সাবের আহমদ বার্মা কলোনিতে অবস্থান করছিল এবং পুলিশি অভিযানের সময় পালানোর উদ্দেশ্যে কলোনির পার্শ্ববর্তী শঙ্খ নদীতে লাফ দেয়।

স্থানীয় জনতা রাতে তাকে নদীতে লাফ দিতে দেখলেও নদী থেকে উঠতে দেখেনি।

ঘটনার পর থেকে সাবের আহমদ বাড়িতে না ফেরায় পরদিন ২ ডিসেম্বর ভোর থেকে পরিবারের লোকজন তার সন্ধান পেতে শঙ্খ নদীর পাড়ে অবস্থান নেয়।

দুপুরের পর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একদল ডুবুরিও তাকে খুঁজতে অভিযানে নামে কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়ে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

দোহাজারী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভুইয়া শঙ্খ নদীতে ভাসমান অবস্থায় সাবের আহমদ নামে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে আজাদীকে বলেন, ‘নদীতে লাশ ভেসে ওঠার ঘটনা এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানতে পেরে রাত আড়াইটার দিকে পুলিশ গিযে লাশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।’

তিনি জানান, দোহাজারী বার্মা কলোনি একটি অপরাধপ্রবণ এলাকা। গত ১ ডিসেম্বর রাতে পুলিশি অভিযানের সময় কাউকে নদীতে লাফ দিতে দেখেননি এবং কারো কাছ থেকে এ বিষয়ে শোনেননি। গত ২ ডিসেম্বর ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যদের উপস্থিতি জানতে পেরে তাদের সহায়তা করতে পুলিশদলও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। সেখানে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানতে পারেন গাঁজা সাবের নামে ওই ব্যক্তির নদীতে লাফ দিয়ে পড়ার বিষয়টি।

সাবের আহমদের বিরুদ্ধে মাদক ও চুরির ব্যাপারে থানায় একাধিক মামলা রয়েছ বলে জানান তিনি।

x