ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে সমস্যা হলেই সাথে সাথে মেরামত

শীঘ্রই শুরু হচ্ছে ৭৯৩ কোটি টাকার পারফরম্যান্স বেজড অপারেশন ও দৃঢ়করণ প্রকল্প

শুকলাল দাশ

বুধবার , ৬ নভেম্বর, ২০১৯ at ৫:১৬ পূর্বাহ্ণ
240

ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের (চট্টগ্রাম-দাউদকান্দি অংশ)এর চার বছরের জন্য পারফম্যান্স বেজড অপারেশন ও দৃঢ়করণ’ নামের ৭৯৩ কোটি ১৪ লাখ টাকার প্রকল্পের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে এখন টেন্ডারে যাচ্ছে এ প্রকল্প। সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিকার আহমদ আজাদীকে বলেন, এখন আমরা প্রকল্পটির টেন্ডারে যাচ্ছি। আনুষ্ঠানিকতা প্রায় শেষ হয়েছে। মহাসড়ক মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য নতুন এই প্রকল্প চালু হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার চার বছর পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেনে দুটি প্যাকেজে মেরামত-রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করবে বলে জানান তিনি। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ রক্ষাকারী জাতীয় অর্থনীতির লাইফলাইন চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত মাত্রাতিরিক্ত ভারবাহী পণ্যবোঝাই যানবাহন চলাচল করছে। ক্রমবর্ধমান পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহনের জন্য মহাসড়কটির পূর্ণ উপযোগিতা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যা প্রয়োজন।
অতিরিক্ত ভারবাহী যান চলাচলের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক রক্ষা করার জন্য এ উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ। জানা গেছে, এ প্রকল্পের আওতায় মহাসড়ক টেকসই ও দৃষ্টিনন্দন হবে। যাত্রী পরিবহনও হবে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।
ভারি যানবাহন চলাচলের কারণে সংস্কারের পর বছর না গড়াতেই ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায় দেশের মহাসড়কগুলো। টেন্ডার প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে সঠিক সময়ে মেরামত করাও অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। আর তাতে মহাসড়কগুলোতে একের পর এক ঘটে যায় দুর্ঘটনা। এ কারণে মহাসড়কগুলো একেবারে ৪ বছরের জন্য নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। এতে করে যখন যেখানে সমস্যা হবে সাথে সাথে মেরামত করে যানবাহন চলাচল উপযোগী করে তোলা হবে।
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিকার আহমদ আজাদীকে জানান, কুমিল্লার দাউদকান্দি পর্যন্ত চট্টগ্রাম অংশের ১৯২ দশমিক ৩ কিলোমিটার সড়ক ৪ বছরের জন্য মেরামত-রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য মোট ৭৯৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর ফলে এই মহাসড়কটি টেকসই ও দৃষ্টিনন্দন হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এই প্রকল্পের সুফল পাওয়া গেলে দেশের অন্যান্য জাতীয় মহাসড়কের মেরামত-রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্যও একই প্রকল্প নেয়া হবে।

x